অভিনয় ছেড়ে এসব করে কী লাভ : নিপুণকে সুচরিতা

নিপুণ এসব ভুইলা এই মেধাটা শিল্পে লাগাও না। একটা হিরোইন হিসেবে তুমি নিজেকে আরও ভালোভাবে প্রতিষ্ঠিত করো। এসব দৌড়াদৌড়ি করে তো লাভ নেই। তুমি দুবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছ, সেই সম্মানটুকু রক্ষা করো নিপুণ।

এ সময় জায়েদ ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, ‘বারবার আমি শুধু একাই টার্গেট হচ্ছি। আমাদের এই সমস্যা অভ্যন্তরীণ। সেটা তাঁরা চাইলে আমাদের সিনিয়র আলমগীর ভাই, ফারুক ভাই, সোহেল রানা ভাই, উজ্জ্বল ভাইসহ আরও যাঁরা আছেন, তাঁদের সঙ্গে বসে সমাধান করতে পারতেন। কিন্তু তা না করে তারা অন্য সমিতির লোকদের সঙ্গে কথা বলে জায়েদ খানকে এফডিসি থেকে বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেয়। আপনাদের বলছি, আমাকে আমার কাজটা করতে দেন। ভুল হলে বলেন।’

গত ২৮ জানুয়ারি নির্বাচনে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে সহকর্মীদের ভোটে জয়লাভ করেন জায়েদ খান। কিন্তু ফলাফল মেনে নেননি সাধারণ সম্পাদক পদে হেরে যাওয়া নিপুণ। তিনি আপিল করেন। একসময় নির্বাচনের আপিল বিভাগ নিপুণকে সাধারণ সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করেন। অন্যদিকে অবৈধভাবে জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করেন। পরে পদটি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। এটি এখন নিষ্পত্তির দায়িত্ব চলে যায় উচ্চ আদালতে। বেশ কয়েকবার শুনানি পিছিয়ে সর্বশেষ আজ বুধবার দিন ধার্য হয়। পরে সকাল থেকেই শুরু হয় শুনানি। আদালত জায়েদকে স্বপদে বহাল রাখে। জায়েদ খানের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অরুণা বিশ্বাস, জয় চৌধুরীসহ অনেকে।