আইপিএল স্থগিতে যত টাকা ক্ষতি হলো ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের

সংগ্রহীত

আইপিএল স্থগিতে যত টাকা ক্ষতি হলো ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের

করোনায় মহাবিপর্যয়ে পুরো ভারত। কিছুতেই করোনার এই ঢেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না দেশটি। এদিকে করোনা যখন এমন বিপর্যয়ের পথে এগোচ্ছিলো সেই মূহুর্তে করোনাকে তোয়াক্কা না করে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৪তম আসর শুরু করে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

শুরু থেকেই আইপিএল নিয়ে আলোচনা সমালোনার মুখে পড়তে হয় বিসিসিআইকে। আসরটি বন্ধে অনেকেই প্রস্তাব দিয়ে থাকেন। তবে শেষ পর্যন্ত আইপিএল স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড।

জৈব সুরক্ষা বলয় গঠন করেও শেষ রক্ষা হয়নি। গেল ২ মে কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুই ক্রিকেটারের করোনা আক্রান্তের খবরে ম্যাচ কলকাতা-ব্যাঙ্গালুরুর ম্যাচ স্থগিত করতে বাধ্য হয় আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। এরপর একে একে বেশ কয়েকজন আক্রান্ত হন কয়েকটি দলের। তাতেই ৪ মে ঘোষণা আসে টুর্নামেন্ট স্থগিতের।

আইপিএল স্থগিত নিয়ে বিসিসিআই ভাইস-প্রেসিডেন্ট শুক্লা জানান, ‘বোর্ড, সদস্য, ফ্র্যাঞ্জাইজি এবং ব্রডকাস্টারের সঙ্গে আলোচনার পর টুর্নামেন্ট আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে পরিস্থিতির উন্নতি হলে বাকি ম্যাচগুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

তবে পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে তাতে মনে হয় না খুব সহসা পুনরায় আইপিএল মাঠে গড়াবে। এতে বিসিসিআই এর ক্ষতির পরিমাণ চোখ কপালে উঠার মতো।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে বিসিসিআই-এর এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘মাঝপথে আইপিএল স্থগিত হওয়ায় বোর্ডের ক্ষতি হয়েছে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ কোটি ভারতীয় রুপি। বলা যায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি।’

প্রতি ম্যাচে ৫৪.৫ কোটি টাকা করে মোট ৬০টি ম্যাচের এই টুর্নামেন্টে ব্রডকাস্টার স্টার স্পোর্টস থেকে প্রতি বছর ৩ হাজার ২৬৯ কোটি টাকা পায় বিসিসিআই।

শুধু ব্রডকাস্ট নয়, টাইটেল স্পন্সর ভিভোর কাছ থেকেও প্রতি আসরে পায় ৪৪০ কোটি টাকা। তাই স্বাভাবিকভাবেই অর্ধেক টাকা পাবে বোর্ড। এছাড়াও অন্যান্য স্পন্সরের থেকে প্রতি আসরে ১২০ কোটি টাকা পেয়ে থাকে বোর্ড। এখানেও অর্ধেক টাকা পাবে না বোর্ড।