আগুনের ঘটনায় সম্পৃক্ততা পেলেই কঠিন শাস্তি : মির্জা আজম

আগুনের ঘটনায় সম্পৃক্ততা পেলেই কঠিন শাস্তি : মির্জা আজম

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের আগুনো পোড়া হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ সেজান জুস কারখানা পরিদর্শন করেছে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল। ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জা আজমের নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধি দলটি রোববার দুপুরে ঘটনাস্থলে আসে।

পরিদর্শন শেষে মির্জা আজম বলেন, এমন অগ্নিকাণ্ড যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে এজন্য প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধি করা হবে। এ দুর্ঘটনার জন্য মালিকপক্ষের পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন সংস্থা যেমন কলকারখানা পরিদর্শন অধিদফতর, শ্রম অধিদফতর, ফায়ার সার্ভিস, রাজউকসহ যাদেরই এ প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে গাফিলতি রয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের চিহ্নিত করে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

মির্জা আজম বলেন, বিল্ডিং কোড না মানা, ফায়ার সেফটির ব্যবস্থা না করার কারণে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। রিমান্ডে এনে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ দুর্ঘটনার সাথে যারই সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাকেই আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, এ কারখানায় যদি শিশুশ্রমিক থেকে থাকে, তদন্ত সাপেক্ষে এসব শিশু শ্রমিককে কারা নিয়োজিত করেছিল তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

সরকার এরই মধ্যে নিহতের পরিবার ও আহতদের পাশে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। এর পরও যদি অতিরিক্ত সহযোগিতার প্রয়োজন হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাও করবেন।

এ সময় তাদের সাথে পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী এবং রূপগঞ্জ আসনের এমপি গাজী গোলাম দস্তগীর, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদল, রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান ভূইয়া, লায়ন মো: মাহবুবুর রহমান বাবুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আর প্রতিনিধি দলে মির্জা আজমের সাথে ছিলেন আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি এমপি, আব্দুল ওহাব অপু এমপি, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া ও কেন্দ্রীয় নেতা শামীম আহমেদ।