আজ শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক সম্মেলন

আজ শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক সম্মেলন
দুই বছর বিরতির পর আজ মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) আবারো শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক সম্মেলন। সরকারের কর্মকাণ্ড মাঠ পর্যায়ে তরান্বিত করার পাশাপাশি নীতি নির্ধারনী বিষয় ও উন্নয়ন কর্মসূচী বিষয়ে দিক নির্দেশনা দিতে শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক সম্মেলন। সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তে শুরু হওয়া তিনদিনব্যাপী এ সম্মেলনের উদ্বোধক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কর্মসূচি অনুযায়ী সম্মেলনে এবার ২১টি কার্য অধিবেশনসহ মোট ২৫টি অধিবেশন থাকবে। এর মধ্যে প্রথম দিন সাতটি, দ্বিতীয় দিন আটটি ও তৃতীয় দিন ১০টি অধিবেশন থাকবে। প্রথমদিন সন্ধ্যা ৬টায় ভার্চুয়ালি দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন রাষ্ট্রপতি।

ডিসি সম্মেলনের আয়োজন সম্পর্কে জানাতে সোমবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে পাঁচ দিনের সম্মেলন সংক্ষিপ্ত করে তিন দিনের করা হয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উদ্বোধন না করে এবার এ সম্মেলনের মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে করা হয়। তবে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং প্রধান বিচারপতি ভার্চুয়ালি সম্মেলনে যুক্ত হবেন। আর জেলা প্রশাসকরা অংশ নেবেন ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে।

দ্বিতীয় দিনে আগামী বুধবার (১৯ জানুয়ারি) সরকারের সকল মন্ত্রণালয় এবং বিভাগের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এবার সম্মেলনের তিন দিনে উদ্বোধনী অধিবেশনসহ মোট ২৫টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা মিলিয়ে মোট ৫৫ টি প্রতিষ্ঠানের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সিনিয়র সচিব, সচিব, উপদেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে আলোচনা করবেন। সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে ২৬৩টি এজেন্ডা নির্ধারণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ১৮টি। এছাড়া, জনপ্রশাসন, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রস্তাব সবচেয়ে বেশী।

সম্মেলনের প্রধান আলোচ্য বিষয় ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম জোরদার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ পূনর্বাসন কার্যক্রম, স্থানীয় পর্যায়ে কর্ম সৃজন, দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচী বাস্তবায়ন, সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী কর্মসূচী বাস্তবায়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ই-গর্ভনেন্স। শিক্ষার মান উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার কল্যাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ রোধ, ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিবীক্ষণ ও সমন্বয়।