আত্মঘাতী গোলে পেরুর কাছে হার কলম্বিয়ার

সংগ্রহীত

পেরুর বিপক্ষে আগের ১০বারের মুখোমুখিতে কোনো ম্যাচ হারেনি কলম্বিয়া। হজম করেছে মাত্র ২ গোল। শেষ তিনবারের মুখোমুখিতে কলম্বিয়ার ৭ গোলই বুঝিয়ে দেয় শক্তিতে পেরু তাদের চেয়ে বেশ পিছিয়ে। কিন্তু রিকার্ডো গারেকার এই দলটাই আজ স্মরণীয় এক জয় তুলে নিল কলম্বিয়ার বিপক্ষে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ করেছে পেরু। কলম্বিয়ার গোলপোস্টে কয়েকটি শটের ধারাবাহিকতায় তারা গোল পায় ১৭ মিনিটে। সতীর্থের শট কলম্বিয়া গোলকিপার ডেভিড ওসপিনাকে ফাঁকি দিয়ে আঘাত হানে গোলপোস্টে। ফিরতি বলে শট নিয়ে গোল করেন পেনা।

ডিফেন্ডার ইয়েরি মিনার আত্মঘাতী গোলের মাশুল দিয়েছে কলম্বিয়া। ছবি: রয়টার্স

বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধের ৮ মিনিটের মাথায় সমতায়সূচক গোল পায় কলম্বিয়া। থ্রু পাস ধরে বক্সে পেরু গোলকিপারকে সামনে পেয়ে যান কলম্বিয়ান স্ট্রাইকার বোর্হা। বক্সের মধ্যে তাঁকে আটকাতে ফাউল করা ছাড়া কোনো পথ ছিল না পেরু গোলকিপার পেদ্রো গ্যালাসের সামনে। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পটকিক থেকে সমতাসূচক গোল তুলে নেন বোর্হা।

ম্যাচ ১-১ গোলে সমতায় থাকতে দুই দলই একে অপরের ওপর চড়াও হয়েছে। ৬৪ মিনিটে দূভার্গ্যজনকভাবে গোল হজম করে কলম্বিয়া। কর্নার পেয়েছিল পেরু।

সেখান থেকে উড়ে আসা বল জটলার মধ্যে ‘ক্লিয়ার’ করতে যান মিনা। বলটা তাঁর বুকে লেগে আশ্রয় নেয় কলম্বিয়ার জালে। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি কলম্বিয়া।

জয়ের উল্লাস পেরুর খেলোয়াড়দের। ছবি: রয়টার্স

ম্যাচে ৫৯ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে ১২টি শট নিয়েও জয় তুলে নিতে পারেননি কুয়াদ্রাদো-মিনারা। অন্যদিকে ১০টি শটের মধ্যে একটিতে গোল এবং অন্যটিতে ভাগ্যের সহায়তা পেয়ে জয় তুলে নেয় পেরু।

এই জয়ে ‘বি’ গ্রুপে ৩ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে উঠে এল পেরু। তাদের সমান ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে কলম্বিয়া। ২ ম্যাচে ২ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ব্রাজিল।