আফগানদের সিরিজ হারিয়ে বিশ্বকাপ সুপার লিগের শীর্ষে বাংলাদেশ

আফগানদের সিরিজ হারিয়ে বিশ্বকাপ সুপার লিগের শীর্ষে বাংলাদেশ

টানা দ্বিতীয় ওয়ানডে জিতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ জয়ের সঙ্গে আইসিসির বিশ্বকাপ সুপার লিগের পয়েন্ট টেবিলেও শীর্ষে উঠে এসেছে ইংল্যান্ডকে সরিয়ে। ১৫ ম্যাচে ৯ জয়ে এক নম্বরে ছিল ইংল্যান্ড। বাংলাদেশ ১৪ ম্যাচে ১০ ম্যাচ জিতে পেছনে ফেলেছে ইংলিশদের।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ৩০৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় আফগানরা। শরিফুলের ওভারের প্রথম বলে সিঙ্গেল রান নিতে গেলে আফিফ হোসেনের থ্রোতে স্টাম্প ভাঙলে ১ রানে বিদায় নেন ওপেনার রিয়াজ হাসান।

চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলে অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শাহীদি ৫ রান করে ক্যাচ দেন শরিফুলের বলে মুশফিকুর রহিমের হাতে। চার নম্বর ব্যাটার আজমাতউল্লাহ ওমরযাইকে ৯ রানে ফেরান সাকিব আল হাসান।

এরপর ওপেনার রহমত শাহ ও নাজিবুল্লাহ জাদরান মিলে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। দুজনের জুটি থেকে আসে ৮৯ রান। ফিফটি তুলে নেন রহমত। তবে ৫২ (৭১) রান করে বোল্ড হন তাসকিন আহমেদের বলে দলীয় ১২৩ রানের মাথায়।

নাজিবুল্লাহ জাদরান টানা দ্বিতীয় অর্ধশতক পূর্ণ করে ৫৪ (৬১) রান করে ক্যাচ দেন তাসকিনের বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে। দলীয় ১৪০ রানের মাথায় রহমানউল্লাহ গুরবাজকে ৭ রানের মাথায় বোল্ড করেন সাকিব।

দলের বিপাকে মোহাম্মদ নবি ও রশিদ খান কিছুটা আশা দেখালেও নবিকে ৩২ (৪০) রানে ফিরিয়ে মেহেদী হাসান ভাঙেন ৩৩ রানের জুটি। রশিদ খানকে ২৯ রানে বোল্ড করেন মোস্তাফিজুর রহমান। রশিদ-নবির জুটি ভাঙার পর মুজিব উর রহমানকে মাহমুদউল্লাহ ও ফজল ফারুকিকে শূন্য রানে বোল্ড করে ফেরান আফিফ হোসেন। আফগানরা গুটিয়ে যায় ৪৫ দশমিক ১ ওভারে ২১৮ রানে।

বাংলাদেশের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ ও সাকিব আল হাসান। ১ উইকেট করে নেন মোস্তাফিজুর, শরিফুল, মেহেদী মিরাজ, মাহমুদউল্লাহ ও আফিফ।

এর আগে সকালে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে তামিমকে ১২ রানে হারালেও দ্রুত ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসানকে নিয়ে ৪৫ রানের জুটি গড়ে শুরুতে ধাক্কা সামাল দেন লিটন দাস। সাকিব ২০ (৩৬) রান করে সাজঘরে ফেরার পর মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে ২০২ রানের রেকর্ড জুটি গড়েন লিটন দাস।

লিটন দাস তুলে নেন ক্যারিয়ারের পঞ্চম শতক। ১২৬ বলে ১৬টি চার ও ২টি ছক্কায় ১৩৬ রান করে বিদায় নেন ফরিদ আহমেদের বলে ক্যাচ দিয়ে। মুশফিকুর রহিম শতকের অনেক কাছে গেলেও ৯৩ বলে ৮৬ রান করে ফেরেন সাজঘরে। শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে ৩০৬ রান তোলে স্বাগতিকরা।

আফগানদের পক্ষে ২ উইকেট নেন ফরিদ আহমেদ। ১টি করে উইকেট নেন ফজল হক ফারুকি ও রশিদ খান।