আফ্রিদির ‘প্রথম দশে’ সমতায় শেষ হলো সিরিজ

আফ্রিদির ‘প্রথম দশে’ সমতায় শেষ হলো সিরিজ
দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিততে জিততেও হেরেছিল পাকিস্তান। দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে বুধবার (২৫ আগস্ট) স্বাগতিক উইন্ডিজকে ১০৯ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বাবর আজম বাহিনী। ফলে ১-১ ব্যবধানে শেষ হলো সিরিজ। ৯৪ রানের বিনিময়ে এ ম্যাচে টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ১০ উইকেটের স্বাদ পেয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। ম্যাচসেরা ও সিরিজসেরাও হয়েছেন তিনি।

সব মিলিয়ে দুদল এখন পর্যন্ত মুখোমুখি হয়েছে ৫৪ টেস্টে। যেখানে পাকিস্তানের ২১ জয়ের বিপরীতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় ১৮ ম্যাচে। ১৫টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।

কিংস্টনের সাবিনা পার্কে প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান ৯ উইকেটে ৩০৯ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় মাত্র ১৫০ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ১৭৬ রানে ইনিংস ঘোষণা করলে জয়ের জন্য ৩২৯ রানের টার্গেট পায় স্বাগতিক শিবির। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২১৯ রানে গুটিয়ে যায় ক্রেগ ব্রাথওয়েটদের ইনিংস।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানদের বেশ কয়েকজন ছোট ছোট ইনিংস খেলেছেন। তবে সেগুলো জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি। আফ্রিদি ৪ ও নুমান আলি ৩ উইকেট শিকার করে ক্যারিবীয় ব্যাটিং লাইনআপে ধ্বস নামান।
এর আগে প্রথম ইনিংসে ফাওয়াদ আলমের সেঞ্চুরিতে ৩০৯ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। ফাওয়াদ করেন ১২৪ রান। বাবর আজম ওই ইনিংসে স্কোর বোর্ডে যোগ করেন ৭৫ রান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে কেউ হাফসেঞ্চুরি করতে পারেননি, ফলস্বরূপ স্কোর বোর্ডে রান উঠে মাত্র ১৫০। ৬ উইকেট নিয়ে নায়করূপে আবির্ভূত হন আফ্রিদি। সব মিলিয়ে ১৯ টেস্টের ক্যারিয়ারে আফ্রিদি শিকার করলেন ৭৬তম উইকেট। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে জয়ের আশায় ১৭৬ রান করেই দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে মিজবাহ উল হকের শিষ্যরা। শেষ পর্যন্ত সে আশা সফলও হয় তাদের।
রুদ্ধশ্বাস প্রথম টেস্টে ১ উইকেটে জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কেমার রোচ শেষ দিকে একাই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। ১ উইকেট হাতে নিয়ে ৫২ বলে ৩০ রানের বীরোচিত ইনিংস খেলেন তিনি। ওই ম্যাচে ব্রাথওয়েট ৯৭ রানে রানআউটের শিকার হন। ৮ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরা হন জায়দেন সিলস।