আরিয়ানকাণ্ডে নতুন মোড়

আরিয়ানকাণ্ডে নতুন মোড়
নতুন মোড় নিয়েছে শাহরুখপুত্র আরিয়ানের মাদককাণ্ড। নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) অন্যতম সাক্ষী কিরণ গোসাভিকে আটক করা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে খবরটি নিশ্চিত করেছেন পুণের পুলিশ কমিশনার অমিতাভ গুপ্ত।

জানা গেছে, ২০১৮ সালে একটি প্রতারণা মামলায় হয়েছিল গোসাভির বিরুদ্ধে। সে মামলাই তার বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করেছিল পুণে পুলিশ। এরপর থেকে লাপাত্তা গোসাভি। কিছুদিন আগে তিনি জানিয়েছিলেন, মহারাষ্ট্রে আতঙ্কে আছেন। উত্তরপ্রদেশ আত্মসমর্পণ করবেন। যদিও গোসাভির এ দাবি নাকচ করে দিয়েছিল উত্তরপ্রদেশের লখনউ পুলিশ।

মুম্বাইয়ের প্রমোদতরীতে এনসিবির অভিযানে উপস্থিত ছিলেন গোসাভি। এনসিবি দপ্তরে আরিয়ান খানের সঙ্গে সেলফিও তুলেছেন তিনি। এরপর থেকে আলোচনায় আসেন এ ব্যক্তি। দুই জায়গার ছবি এবং ভিডিও থেকে আরিয়ানের সঙ্গে তার যোগসূত্র পায় পুলিশ।

এদিকে পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চাইলেন আরিয়ানকাণ্ডের আলোচিত তদন্ত কর্মকর্তা সমীর ওয়াংখেড়ে। রোববার (২৪ অক্টোবর) মুম্বাই পুলিশ কমিশনারের কাছে গিয়েছিলেন তিনি। তবে এবার কোনো মামলার কাজে যাননি এই এনসিবি কর্মকর্তা। গিয়েছেন নিজের প্রয়োজনে। তিনি আশঙ্কা করছেন তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

তার বিরুদ্ধে অচেনা ব্যক্তিরা আইনি পদক্ষেপের পরিকল্পনা করছেন। এ জন্য নিরাপত্তা চেয়েছেন সমীর ওয়াংখেড়ে। এমনটাই জানা গেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে।

সংবাদমাধ্যমকে সমীর বলেন, ‘আমার পরিবার, বোন, এমনকি মৃত মাকে টার্গেট করা হচ্ছে। যে কোনো ধরনের তল্লাশির জন্য আমি প্রস্তুত। ১৫ বছর ধরে কাজ করছি। কিন্তু আমার ব্যক্তিগত জীবন আর কাজ নিয়ে এমন অভিযোগ কখনো ওঠেনি।’

এদিকে সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন আরিয়ানের মাদক মামলার সাক্ষী প্রভাকর সেইল । আরিয়ানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য তাকে ঘুষ প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, প্রমোদতরীতে তল্লাশি চালানোর দিন এনসিবি তাকে দিয়ে ১০ পাতার সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছিল। আরিয়ানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যের বিনিময়ে বিপুল পরিমাণ টাকার প্রস্তাব এসেছিল সমীরের পক্ষ থেকে। সোমবার (২৫ অক্টোবর) মুম্বাইয়ের পুলিশ কমিশনরের দপ্তরে গিয়েছিলেন প্রভাকর।