আলজাজিরার রিপোর্ট ড্যামেজ কন্ট্রোলের জন্য জিয়াউর রহমানের খেতাব কেড়ে নিচ্ছেন : রিজভী

সংগ্রহীত

আলজাজিরার রিপোর্ট ড্যামেজ কন্ট্রোলের জন্য জিয়াউর রহমানের খেতাব কেড়ে নিচ্ছেন : রিজভী

আলজাজিরার রিপোর্ট ড্যামেজ কন্ট্রোলের জন্য জিয়াউর রহমানের খেতাব কেড়ে নিচ্ছেন? এমন প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আল জাজিরার রিপোর্টে এটা তো কোটি কোটি মানুষ দেখে ফেলেছে। জিয়াউর রহমানের খেতাব কেড়ে নিয়ে আপনি ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, যে লোক (জিয়াউর রহমান) রাজনীতিকে গ্রামে নিয়ে গেছেন, যে মানুষটি মিশে ছিলেন কাদা মাটি ও পলিমাটির মধ্যে। নদীর উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে যার নাম মিশে আছে, মিশে আছে জনগণের মনে। সেই নাম কোনো দিনও মুছে ফেলা যাবে না।

শনিবার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম খেতাব প্রত্যাহারের সরকারি হঠকারী ও অন্যায় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিএনপির পূর্বঘোষিত প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি প্রতিবাদ সমাবেশটির আয়োজন করে।

বিএনপির মুখপাত্র বলেন, আজ থেকে আড়াই হাজার বছর আগে গ্রিক দার্শনিক প্লেটো বলেছিলেন, ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষাই অপরাধের অন্যতম কারণ। এই আওয়ামী লীগ এমন একটি সংগঠন; এদের প্রত্যেকেরই ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষা। আপনারা সবাই দেখছেন না এখন জিপিএ ফাইভের ছড়াছড়ি, আর ১৯৭২ সালে ছিল নকলের ছড়াছড়ি, এইবার হলো অটো পাশের ছড়াছড়ি। এই কারণেই সমাজ এবং রাষ্ট্রে অপরাধ বাড়ছে। আর আওয়ামী লীগে ভিতরে সবচেয়ে বেশি অপরাধ।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমানের খেতাব নাকি কেড়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। জিয়াউর রহমানের বীরত্ব মহাকাব্যের মতো। জিয়াউর রহমানের বীরত্ব নিয়ে আগামী দিনে গান রচনা হবে, কবিতা রচনা হবে। শতাব্দীর পর শতাব্দী এদেশের জনগণের কন্ঠে কন্ঠে জিয়াউর রহমানের বীরত্বের গান, কবিতা ও গল্প আবৃত হবে। যেমন আমরা তিতুমীরকে নিয়ে গান রচনা করি, যেমন আমরা ক্ষুদিরামকে নিয়ে গান রচনা করি, যেমন আমরা ফকির মজনু শাহকে নিয়ে গান রচনা করি, ঠিক তেমনি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে ও গান রচনা হবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালম, হাবিব উর রহমান হাবিব, সিনিয়র যুগ্ম মহাাচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, যুবদল সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরব, সাবেক মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক, তাবিথ আওয়াল, শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, আকরাম হোসেন, ছাত্রদল সভাপতি ফজলুল রহমান খোকন, সিনিয়র সহ-সভাপতি রওনকুল ইসলাম শ্রাবন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন, সহ-সভাপতি পার্থ দেব মণ্ডল, মামুন খান, যুগ্ম সম্পাদক তানজিল আহসান, রিয়াদ ইকবাল, সহ সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি রফিকুল আলম মজনু, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, শ্রমিক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম বাদল প্রমুখ।