ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ম্যানসিটি

সংগ্রহীত

ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ম্যানসিটি

প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)-কে  ২-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠে গেল ম্যানচেস্টার সিটি। এ জয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল খেলার টিকিট কাটলো ম্যানচেস্টার। ৫১ বছর পর কোনও ইউরোপিয়ান ফাইনালে তারা।

মঙ্গলবার রাতে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচে দুটো গোলই করেন দলীয় তারকা ফুটবলার রিয়াদ মাহারেজ।

ম্যাচের শুরুটা ভালোই হয়েছিল গত আসরের রানার্সআপ পিএসজির। প্রথম মিনিট থেকে চাপ তৈরি করে তারা। তাদের আশার পালে দোলা দেয় ষষ্ঠ মিনিটের পেনাল্টির বাঁশি। তবে টিভি রিপ্লেতে দেখা যায় অলেকসান্দার জিনচেঙ্কোর কাঁধে বল লেগেছিল, ভিএআরে পাল্টায় সিদ্ধান্ত।

পাঁচ মিনিট পরেই গোল খেয়ে বসে পিএসজি। দারুণ এক প্রতি-আক্রমণে কেভিন ডে ব্রুইনের শট মার্কিনিয়োসের পায়ে লেগে বল চলে যায় ডান দিক। ছুটে গিয়ে জোরালো কোনাকুনি শটে কেইলর নাভাসকে পরাস্ত করেন মাহরেজ। প্রথম লেগে দলের দ্বিতীয় গোলটি করেছিলেন আলজেরিয়ার এই মিডফিল্ডার।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও নাভাস দুবার বাঁচিয়ে দেন দলকে। কিন্তু ৬৩ মিনিটে প্রতিআক্রমণে ওঠা সিটির দুর্দান্ত আক্রমণভাগকে আর ঠেকানো সম্ভব হয়নি। বাঁ প্রান্ত দিয়ে ফিল ফোডেন বল টেনে নিয়ে বক্সের সামনে ডি ব্রুইনাকে দেন। ব্রুইনার পাস আবার খুঁজে নেয় বক্সে ঢুকে পড়া ফোডেনকে। আগেই গা ছেড়ে দেওয়া পিএসজি রক্ষণের কারণে দূরের পোস্টে ফাঁকায় বল পেয়েছেন মাহরেজ। তাঁর শট ঝাঁপিয়েও আটকাতে পারেননি নাভাস।

মেজাজ হারিয়ে দি মারিয়া ৬৯তম মিনিটে লাল কার্ড দেখলে পিএসজির ঘুরে দাঁড়ানোর আশা বলতে গেলে শেষ হয়ে যায়। সাইডলাইনে বাইরে অহেতুক সিটির অধিনায়ক ফের্নানদিনিয়োকের পায়ে পাড়া দিয়ে বহিষ্কার হন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার।