ইনিংসটা বড় করতে পারলেন না ফিরলেন মুশফিকও

সংগ্রহীত

ইনিংসটা বড় করতে পারলেন না ফিরলেন মুশফিকও

দীর্ঘদিন পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। তবে দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে চড়ে আশার আলো দেখছিল স্বাগতিকরা।

কিন্তু ইনিংসটা বড় করতে পারলেন না মুশিও। টাইগারদের পক্ষে টেস্টে সর্বোচ্চ রানের মালিক আউট হয়ে গেলেন ৩৮ রান করে।

এর আগে চট্টগ্রামে উইন্ডিজদের বিপক্ষে সিরিজের ১ম টেস্টের ১ম দিনে ব্যাট করতে নেমে শুভসূচনা করতে পারেনি টাইগাররা। দলীয় মাত্র ২৩ রানে সাজঘরে ফিরে যান অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল। তার সংগ্রহ মাত্র ৯ রান। 

আশার আলো দেখিয়েছিলেন নাজমুল শান্ত ও তরুণ ওপেনার সাদমান ইসলাম। এই দু’জনের জুটিতে আসে ৪৩ রান। ক্রিজে সেট হয়েও অধৈর্য্য বনে যান শান্ত। রান আউট হয়ে ফিরে যান দলীয় ৬৬ রানে। তার ব্যক্তিগত সংগ্রহ ২৫ রান।

অধিনায়ক মুমিনুল হকও উইকেটে টিকে ছিলেন দীর্ঘ সময়। তবে তার আউটটা ছিল বেশ দৃষ্টিকটু। স্পিনার ওয়ারিকানের বলে ক্যাম্পবেলের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে উইকেট বিলিয়ে দেন তিনি। তার আগে ৯৭ বল মোকাবেলায় সংগ্রহ করেন ২৬ রান। 

দীর্ঘদিন পর টেস্ট খেলতে নামা তরুণ ওপেনার সাদমান ইসলাম লড়াই চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। অভিষেক টেস্টে ফিফটি হাঁকানো এই ব্যাটসম্যান ৫ টেস্ট পর আবারো পেলেন ফিফটির দেখা। তবে বিতর্কিত এক আউটে বিদায় নিতে হয়েছে তাকে। ১৫৪ বলে ৫৯ রানের ইনিংসটি শেষ হয় ওয়ারিকানের এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে পড়ে। তবে পরে দেখা যায়, রিভিউ নিলে বেঁচেই যেতেন সাদমান!

১৩৪ রানে ৪ উইকেট হারানো বাংলাদেশ তাকিয়ে ছিল দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসানের দিকে। দু’জন আস্থার প্রতিদানও দিচ্ছিলেন। গড়েন ৫৯ রানের জুটি। তবে দিনের শেষ সেশনে এসে বিদায় নেন মুশি। ওয়ারিকানের বল ব্যাটের কানায় লেগে চলে যায় স্লিপে দাঁড়ানো রাহকিম কর্নওয়ালের হাতে। ৩৮ রান করে বিদায় নেন মুশফিক। দলের রান তখন ১৯৩। 

এই মুহূর্তে উইকেটে আছেন সাকিব ও লিটন দাস।