ইরানে পরকীয়ার অভিযোগে প্রেমিক-প্রেমিকার মৃত্যুদণ্ড

ইরানে পরকীয়ার অভিযোগে প্রেমিক-প্রেমিকার মৃত্যুদণ্ড

পরকীয়ার অভিযোগে ২৭ বছরের এক বিবাহিত ব্যক্তি ও তার ৩৩ বছরের প্রেমিকাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে  ইরানের সুপ্রিম কোর্ট। ওই ব্যক্তির স্ত্রী তাকে ক্ষমা করলেও তার শ্বশুর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পক্ষে অবস্থান নেয়ার কারণে আদালত তা গ্রহণ করে। খবর ডেইলি মেইলের।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ব্যক্তির স্ত্রী সর্বপ্রথম প্রমাণসহ পুলিশের কাছে অভিযোগ উত্থাপন করে এবং তার স্বামী ও তার প্রেমিকার কিছু অন্তরঙ্গ ছবি পুলিশের কাছে জমা দেয়। পরবর্তীতে মামলাটি বিশ্লেষণ করে আদালত ওই নারীর স্বামী ও তার পরকীয়া প্রেমিকাকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় প্রদান করে।

ইরানের আইন মোতাবেক, যদি কোনো ভিকটিমের পরিবার অপরাধীকে ক্ষমা করে দেয়, তাহলে সে মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই বা কারাদণ্ড পেতে পারে। ফলে অভিযুক্ত ব্যক্তির স্ত্রী তাকে পরবর্তীতে ক্ষমা করলেও শ্বশুর ক্ষমা না করায় মৃত্যুদণ্ডই পেতে হচ্ছে তাকে।

প্রসঙ্গত, গত বছর ইরানে শরীয়া আইনে ইরানে ২৪৬ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর দেশটিতে ইসলামী শরিয়া আইনে ব্যভিচারের শাস্তি পাথর ছুড়ে মারা।