‘উই রিভোল্ট’ বলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন জিয়া

সংগ্রহীত

‘উই রিভোল্ট’ বলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন জিয়া 

দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, একাত্তরের ২৫ মার্চ কাল রাতে ‘উই রিভোল্ট’ বলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রিন্স বলেন, ৩০ মে বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত শোকের একটি দিন। এই দিনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান দেশী-বিদেশী চক্রান্তে নিহত হয়েছিলেন। যিনি আমাদের জাতীয় ইতিহাসের নানা ক্রান্তিলগ্নে নিজের জীবনকে তুচ্ছ জ্ঞান করে দেশপ্রেমে উদ্ভুদ্ধ হয়ে বীর দর্পে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নজির স্থাপন করেছেন, তাকে ১৯৮১ সালের ৩০ মে নির্মমভাবে জীবন দিতে হয়েছে কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে।  

তিনি বলেন, জাতি যখন নেতৃত্বহীন এবং দিশেহারা অবস্থায় পতিত হয়েছে, তিনি তখনই আবির্ভূত হয়েছেন ত্রাতার ভূমিকায়। দেশপ্রেমের শক্তিতে বলিয়ান এই ক্ষনজন্মা পুরুষকে তাই জাতি আজ গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। ১৯৭১ সালের ২৫মার্চ কালো রাতে পাক হানাদার বাহিনীর ক্র্যাকডাউনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে সেনা সদস্যদের নিয়ে ‘উই রিভোল্ট’ বলে পাকিস্থানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষনা করেছিলেন, তিনি পরের দিন কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মহান স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছিলেন।  তিনিই আবার ৭৫’র ৭ নভেম্বর অমানিষার অন্ধকার থেকে অস্থির, বিশৃঙ্খল, হতাশাগ্রস্থ ও ষড়যন্ত্রের কবলে নিপতিত জাতিকে রক্ষা করেছিলেন। জাতি পরমনির্ভরতায় দেশের সব দায়ভার এই ত্রাণকর্তার ওপর অর্পন করেছিল।

প্রিন্স বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল শহীদ জিয়ার হাতে গড়া সংগঠন।  তার আদর্শ তথা, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও ১৯ দফা কর্মসূচিকে ধারণ করে এই দল দেশ ও জাতির কল্যাণে এবং অধিকার আদায়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।  সে কারণেই শহীদ জিয়ার জাতীয়তাবাদী রাজনীতি আজ জনগণের আস্থা-ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে জনগণের মধ্যে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কোনো ষড়যন্ত্র চক্রান্তই শহীদ জিয়ার রাজনীতিকে এবং তার প্রতিষ্ঠিত দলকে ধ্বংস করতে পারে নাই ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতেও পারবে না।