উন্নয়নের জন্য পুড়ছো বন, ভাবো, দুনিয়ার মানুষ : ফারুকী

সংগ্রহীত

উন্নয়নের জন্য পুড়ছো বন, ভাবো, দুনিয়ার মানুষ : ফারুকী

নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। বিগত বছরে পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজের চিন্তার কথা জানিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন এই নির্মাতা। সেই লেখাটি পুনরায় নিজের ওয়ালে পোস্ট করেছেন ফারুকী। কারণ বিষয়টি সম্পর্কে এখনও তিনি একই জিনিস মনে করেন বলে জানিয়েছেন।

 ফারুকীর স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
‘আমার একটা অনুমান আছে যেটার পক্ষে এখনো অতো জোরালো বৈজ্ঞানিক ডাটা নাই। আমি যতো বার মঙ্গল গ্রহের ভিডিও দেখি আমার মনে হয় পৃথিবীর ভবিষ্যত দেখতেছি!

বিজ্ঞানীরা ধারণা করছে, মঙ্গলে এক সময় প্রাণ ছিলো, আমাদেরই মতো! মঙ্গল এক সময় সবুজ ছিলো, আমাদের মতো! একসময় সেখানে কলকল বয়ে যেতো নদী, যেমন বয় আমাদের মেঘনা! যদিও বিজ্ঞানীরা জানে না, কী কারণে এক সময়ের সবুজ গ্রহ লাল হয়ে গেলো, কিভাবে হারালো প্রাণের অস্তিত্ব!

তবে যেটা অনুমান করা যায় সেটা হলো যদি সতর্ক না হই, আমরাও একসময় এরকম খরখরা লাল গ্রহে পরিণত হবো। আর ভিন্ন কোনো গ্রহের কোনো বুদ্ধিমান প্রানী পৃথিবীতে পাঠাবে রোবোটিক এক্সপ্লোরার, জানার জন্য একদা এখানে প্রাণ ছিলো কিনা, ছিলো কিনা কোনো নদী! যেমন আমরা পাঠাই মঙ্গলে আর কি!

তখন ঐ এক্সপ্লোরার খুঁজে পাবে না আমাদের বিত্ত, ধর্মীয় বা জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বের চিহ্ন, জিল্লুর রহমানের তৃতীয় মাত্রা, কিংবা জন্মনিরোধকের ফেলে দেয়া খোসা! দিনের পর দিন কাজ করে যাবে সেই রোবট শুধুমাত্র একটু পানির চিহ্ন খুঁজে পাওয়ার আশায়! তাও তাজা পানি না! দূরবর্তী কোনো শতকের পানির ইশারা!

ঐটুকুর মাঝেই থাকবে আমার-তোমার সভ্যতার চিহ্ন! তবে একবার ভাবো আজকে কোন শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের জন্য তুমি লড়ছো, কাটছো একে অন্যের মাথা? কোন উন্নয়নের জন্য পুড়ছো বন, মারছো নদী? ভাবো, দুনিয়ার মানুষ!’