এখন মুম্বাইকে হারালেই শেষ চারে মুস্তাফিজের দিল্লি

এখন মুম্বাইকে হারালেই শেষ চারে মুস্তাফিজের দিল্লি

চলছে আইপিএলের গ্রুপ পর্বের শেষদিকের ম্যাচ। এই মুহূর্তে প্লেঅফের আশা বাঁচিয়ে রাখা সব দলই জয়ের লক্ষ্যে খেলছে। মুস্তাফিজুর রহমানের দিল্লি ক্যাপিটালসেরও একই অবস্থা।

প্লে অফের আশা বাঁচিয়ে রাখার জন্য আজ পাঞ্জাব কিংস দলটির বিপক্ষে অবশ্যই জিততে হতো দলটিকে।

এদিন ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে পাঞ্জাবকে ১৭ রানে হারিয়েছে রিকি পন্টিংয়ের দল। এই জয়ে ১৩ ম্যাচে ৭ জয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে চারে উঠে এসেছে দিল্লি ক্যাপিটালস।

এদিন টসে জিতে দিল্লিকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাঞ্জাব। ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম বলে ইনফর্ম ডেভিড ওয়ার্নারকে হারায় দিল্লি। সেখান থেকে ৫১ রানের জুটি গড়েন ওপেনার সরফরাজ ও মিচেল মার্শ। ব্যক্তিগত ৩২ রানে সরফরাজ ফিরলে ভাঙে জুটিটি।

দ্বিতীয় উইকেটে ললিত যাদবকে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন মার্শ। দলীয় একশ ছোঁয়ার আগে ২৪ রান করে ফেরেন ললিত। এরপর দ্রুতই তিন উইকেট হারিয়ে বসে দিল্লি। তবে একপ্রান্তে মার্শ ৬৩ রান করে স্কোর বাড়ায় দলটির। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ১৫৯ রান তুলতে পারে দিল্লি।

জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ঝড়ো সূচনা করেন দুই পাঞ্জাব ওপেনার জনি বেয়ারস্টো ও শিখর ধাওয়ান। তবে দলীয় ৩৮ রানে বেয়ারস্টো ব্যক্তিগত ২৮ রানে ফিরতেই টানা উইকেট হারাতে থাকে দলটি।

এক পর্যায়ে ৮২ রানে ৭ উইকেট হারায় পাঞ্জাব। দিল্লির জয় তখন সময়ের অপেক্ষা মনে হচ্ছিল। সেখান থেকে জিতেশ শর্মা এবং রাহুল চাহার দ্রুত ৪১ রানের জুটি গড়ে পাঞ্জাবকে আশা দেখায়। তবে ৪৪ রান করা জিতেশের বিদায়ের পর সেই আশা নিভে যায়।

এরপর অপরাজিত ২৫ রান করে পরাজয়ের ব্যবধানই কেবল কমান রাহুল। পাঞ্জাবও থামে ৯ উইকেটে ১৪২ রান করে। দিল্লির পক্ষে শার্দুল ঠাকুর ছিলেন সবচেয়ে সফল। ৩৬ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেন এই ডানহাতি পেসার। এছাড়াও আক্সার প্যাটেল ও কুলদীপ যাদব ১৪ রানের বিনিময়ে ২টি করে উইকেট শিকার করেন।