এবার কিউকমের প্রধান নির্বাহী গ্রেপ্তার

এবার কিউকমের প্রধান নির্বাহী গ্রেপ্তার
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিউকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। রোববার (৩ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার (৪ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের পক্ষ থেকে সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডের মিডিয়া সেন্টারে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

দেশে সম্প্রতি একাধিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জের প্রতারণা আর অফিস বন্ধের পর এক নোটিশে নিজেদের অফিস বন্ধ ঘোষণা করে কিউকম। তারা কাউকে গুলশান নিকেতনের অফিসে যেতেও নিষেধ করে দেয়।

পণ্য দেওয়ার নাম করে গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে কিউকম। কিন্তু অনেক গ্রাহককে তারা পণ্য বুঝিয়ে দেয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে কিউকমের সন্দেহজনক লেনদেনের বিরুদ্ধে ছায়া তদন্ত শুরু করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

রিপন মিয়ার সঙ্গে ইভ্যালির সিইও রাসেলের যোগসাজশ পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জানা গেছে, ব্যবসার সুবাদে তার সঙ্গে পরিচয় হয় রাসেলের। মূলত রাসেলের সঙ্গে সম্পর্কের সূত্র ধরেই তিনি প্রতিষ্ঠা করেন কিউকম। ধামাকা অফার দিয়ে তিনি শুরু করেন অনলাইন ব্যবসা। তার কোম্পানিতে টেলিভিশন, ফ্রিজ ও মোটরসাইকেলের অফার দিত। কম মূল্যের কারণে তার প্রতিষ্ঠানে লোকজন হুমড়ি খেয়ে পড়তেন। পণ্যের মূল দামের সঙ্গে প্রায় ৭৫ ভাগ ছাড়ের ঘোষণা থাকতো।

এদিকে গত ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসা থেকে ইভ্যালির সিইও রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। রাসেলকে দুই দফা ও শামীমাকে এক দফা রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। দুজনই এখন কারাগারে আছেন। সম্প্রতি ইভ্যালির সব নথি তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১১ অক্টোবর জয়েন্ট স্টক কোম্পানির রেজিস্ট্রারকে আদালতে এ নথি দাখিল করতে বলা হয়েছে।