ক্রিকেটারদের ফিটনেস যাচাই করবে ইয়ো ইয়ো টেস্ট

ক্রিকেটারদের ফিটনেস যাচাই করবে ইয়ো ইয়ো টেস্ট

বিপ টেস্ট নয়, বিসিবি আয়োজিত আসন্ন টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে ক্রিকেটারদের ফিটনেসের পরীক্ষা হবে ইয়ো-ইয়ো টেস্টে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রথমদিন ইয়ো-ইয়ো টেস্টের ট্রায়াল দিয়েছেন ৭ ক্রিকেটার। তামিম ছাড়াও যেখানে ছিলেন সৌম্য, মিরাজ, তাইজুল-রনিরা। সর্বোচ্চ ২২.১ নম্বর তুলেছেন পেসার আল আমিন। বিসিবির চিকিৎসক বলছেন, আধুনিক এই পদ্ধতির সঙ্গে মানিয়ে নেয়া কিছুটা কষ্টসাধ্য হলেও, বিষয়টি ইতিবাচক।

বিফের তালে তালে ট্রেইনারের সঙ্গে ছুটে চলছেন মিরাজ। খানিক বাদে আবারো থামছেন, আবার ছুটছেন। প্রথম দর্শনে এমন দৃশ্য দেখে চক্ষু চড়কগাছ হতে পারে যে কারোই। তবে এটাই যে ইয়ো-ইয়ো টেস্টের পদ্ধতি!

ক্রিকেটারদের ফিটনেস পরীক্ষায় টাইগার ক্রিকেটে এতদিন বিফ টেস্টকে অনুসরণ করা হতো। তবে এই প্রথম মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে ইয়ো-ইয়ো টেস্টকে। যদিও ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড কিংবা অস্ট্রেলিয়ায় অনেক আগে থেকেই ব্যবহৃত হচ্ছে এই পদ্ধতি।

এ বিষয়ে বিসিবি’র চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরি বলেন, ইয়ো-ইয়ো টেস্টটা আমাদের দেশে নতুন হলেও বেশ আগে থেকেই ক্রিকেটে তা ব্যবহৃত হচ্ছে। শুধু ক্রিকেট নয়, অন্যান্য অনেক খেলাতেও খেলোয়াড়দের ফিটনেস পরখ করা হয় বিফ ও ইয়ো-ইয়ো দুই পদ্ধতির কোনো একটি দিয়ে। বিপ টেস্ট মূলত এনডিউরেন্স টেস্ট, আর ইয়ো-ইয়ো টেস্ট হলো এয়ারোবিক এনডিউরেন্স টেস্ট। বাংলাদেশের ক্রিকেটে ইয়ো-ইয়ো টেস্ট এবারই প্রথম।

প্রথম দিনের ট্রায়ালে অংশ নেয়া ক্রিকেটারদের বেঞ্চমার্ক বেঁধে দেয়া হয়েছিলো ১৭/১৮। ৭ ক্রিকেটারের মধ্যে সর্বোচ্চ ২২.১ নম্বর তুলেছেন পেসার আল আমিন। বিফ টেস্টের মতো হলেও ইয়ো-ইয়ো ফিটনেস পরীক্ষা, অন্যগুলোর চাইতে কঠিন ও কষ্টসাধ্য।

দেবাশিষ চৌধুরি বলেন, এই পরীক্ষায় ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স ছিল বেশ ভালো। তবে এই পরীক্ষা বিপ টেস্টের তুলনায় একটু বেশি কঠিন। এর কার্যকারিতা অবশ্য একেক দেশের ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে একেক রকম।

ট্রায়াল শুরু হলেও ক্রিকেটারদের আনুষ্ঠানিক ইয়ো-ইয়ো টেস্টের দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে জানা গেছে, চলতি মাসে শুরু হওয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের সপ্তাহ খানেক আগে চূড়ান্ত ইয়ো-ইয়ো টেস্ট দেবেন ক্রিকেটাররা।