গোল উৎসবে শুরু বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের কাতার বিশ্বকাপ

গোল উৎসবে শুরু বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের কাতার বিশ্বকাপ

৯ মিনিটে গোল খেয়ে বসে। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের প্রথম ম্যাচে হারের ধারা বজায় রাখতে যাচ্ছিল ফ্রান্স? এমন ভাবনা শুরুতে এলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ফরাসিরা বুঝিয়ে দিয়েছে তারা কেন বিশ্বসেরা। র‍্যাবিওটের সমতা, দুরন্ত এমবাপ্পে ও জিরুডের জোড়া গোলে অস্ট্রেলিয়ার জালে গোল উৎসব করেছে ফ্রান্স।

আল জানুব স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ৪-১ গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স। জিরুড জোড়া গোল করেন। এমনাপ্পে ও র‍্যাবিওট একটি করে গোল করেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে একমাত্র গোলটি করেন গুডউইন।

ফ্রান্সের ত্রাতা হয়ে আসেন র‍্যাবিওট। ২৬ মিনিটে সমতা আনে ফ্রান্স। কর্নার থেকে ডি বক্স হয়ে বল যায় মাঠের একটু সামনে। মাঝে একজন হয়ে বাঁ দিকে হার্নান্দেজের কাছে যায়। তিনি উড়িয়ে ক্রস করেন আবার ডি বক্সে। সেখানে থাকা র‍্যাবিওট দারুণ হেডে লক্ষ্যভেদ করেন। সমতা আনতে বেশি সময় নেননি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

র‍্যাবিওটের পর জিরুডের গোলে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া। ৩২ মিনিটে ২-১ গোলে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। এমবাপ্পে থেকে বল পেয়ে ডি বক্সের বাম দিক থেকে কাট ব্যাক করেন প্রথম গোলদাতা র‍্যাবিওট। বল আসে ডি বক্সের সেন্টারে থাকা জিরুডের কাছে। পায়ের আলতো টোকায় ফাঁকা পোস্টে গোল দিতে ভুল করেননি ফ্রান্সের এই স্ট্রাইকার। ফ্রান্সের হয়ে সবশেষ ২৭ ম্যাচে এটি জিরুডের দ্বিতীয় গোল।

এমাবাপ্পে গোল করার তিন মিনিট পরেই আবার গোল করারন। বাঁ দিক থেকে এমবাপ্পের ক্রস থেকে দারুণ হেডে বল জড়ান জালে। ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। জিরুড ছাড়া বাকি দুটি গোল করেন র‍্যাবিওট ও এমবাপ্পে। এই গোলের মাধ্যমে ফরাসি জার্সিতে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ৫১ গোলের মালিক হন জিরুড।

জিরুডের রেকর্ড গড়া ম্যাচে দুর্দান্ত খেলেছেন এমবাপ্পে। সহজ দুটি গোল মিস না করলে পেতে পারতেন হ্যাটট্রিকও। একটি গোল করেছেন, অন্যকে দিয়ে গোলও করিয়েছেন। এর মধ্যে দিয়ে ফরাসিরা বিশ্বকাপে টানা ৫ জয়ের রেকর্ড গড়লো। গত বিশ্বকাপে শেষ ষোল থেকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আজ এই জয়।  মুহুর্মুহু আক্রমণে অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণভাগ ছিল বিপর্যস্ত। যেখানে আর্জেন্টিনা ২৩টি আক্রমণ করেছে সেখানে অস্ট্রেলিয়া মাত্র ৪টি আক্রমণ করতে পারে। ম্যাচের ৫৩ শতাংশ সময় বল ছিল ফরাসিদের পায়ে।

এই জয়ে গ্রু ডি থেকে ফরাসিরা শীর্ষ স্থানে অবস্থান করছে। পরের দুই স্থানে আছে ড্র করা তিউনিশিয়া-ডেনমার্ক। সবার শেষে অস্ট্রেলিয়া। এই জয়ের ধারা বজার রাখতে পারবেতো ফ্রান্স