ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায়

নতুন করে প্রেক্ষাগৃহে দর্শক ফেরা, একের পর এক ছবি মুক্তি, সেন্সরপ্রাপ্তি ও শুটিং শুরু হওয়াকে ইতিবাচক মনে করছেন ইন্ডাস্ট্রি–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। নতুন বছরে সিনেমা নিয়ে নতুন প্রত্যাশার কথা জানিয়ে পরিচালক এস এ হক অলিক বলেন, ‘নতুন বছরের ঢালিউড নিয়ে আমি আশাবাদী। কারণ, নতুন বছরের জন্য ভালো ভালো সিনেমা প্রস্তুত আছে। পর্যায়ক্রমে ছবিগুলো আসবে। দর্শকেরাও নতুন করে হলে ফিরবেন। হলে গিয়ে ভালো সিনেমা দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন বাংলাদেশের মানুষ। গলুইয়ের শুটিং করতে গিয়ে মানুষের ঢল দেখেই সেটা টের পেয়েছি। করোনা যদি নতুন করে মাথাচাড়া না দেয়, তাহলে আশা করছি দর্শক হলে ফিরবেন।’

গেল বছর নতুন সিনেমা হল নির্মাণ, বিদ্যমান হলের সংস্কার ও আধুনিকায়নে সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই ভবনে একটি প্রতিষ্ঠান অথবা ব্যক্তিমালিকানাধীন (একক বা যৌথ) সিনেপ্লেক্সের যতগুলো পর্দা বা স্ক্রিন থাকুক না কেন, তা পুনঃ অর্থায়ন তহবিল থেকে ঋণপ্রাপ্তিতে একটি ইউনিট হিসেবে বিবেচিত হবে। সেদিক থেকে বলা যায়, প্রেক্ষাগৃহের মালিকেরাও দর্শকদের স্বাগত জানানোর সব রকম সুযোগ পাচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সিনেমা হলের মালিকদের অনেকে নতুন আঙ্গিকে ব্যবসা ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন গেল বছরের শেষের দিকে।

গেল বছর প্রার্থনা ফারদিন দীঘি, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী, সাদিয়া মাহি, সাদিয়া নাবিলা, নোভা ফিরোজের মতো শিল্পীদের চলচ্চিত্রজগতে পাওয়া গেছে। এ বছরও চলচ্চিত্রে অভিনয়শিল্পী হিসেবে পাওয়া যাবে ছোট পর্দার নতুন-পুরোনো অনেক মুখ। আসছেন নতুন নতুন নির্মাতা। নতুন ভাষার চলচ্চিত্র নির্মাণে যাঁরা ইতিমধ্যে প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। নতুন বছরের জন্য প্রস্তুত সিনেমাগুলোর রয়েছে ভিন্ন ধাঁচের, মশলাদার মৌলিক গল্প। সব মিলিয়ে বলা যায়, ২০২২ সালের ঢালিউড দিচ্ছে ঘুরে দাঁড়ানোর স্পষ্ট ইঙ্গিত।