চমেকে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ: দুই আসামির ৫ দিন রিমান্ড চায় পুলিশ

চমেকে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ: দুই আসামির ৫ দিন রিমান্ড চায় পুলিশ

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় দুই ছাত্রলীগ কর্মীর পাঁচদিন করে রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশ। রোববার তাদের আদালতে পাঠিয়ে এ রিমান্ডের আবেদন করা হয়। এর আগে শনিবার রাতে মামলা দায়ের করার পর ক্যাম্পাস থেকে ওই দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবির সমকালকে বলেন, এমবিবিএস দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মাহাদি জে আকিবকে হত্যাচেস্টার মামলায় ৫৮তম ব্যাচ পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী তৌফিকুর রহমান বাদী হয়ে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৭-৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। এরপর রাতে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে রক্তিম দে ও এনামুল হোসেন সীমান্ত নামে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা এমবিবিএস দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে রক্তিম ১১ নম্বর ও এনামুল এজাহারভুক্ত ১৫ নম্বর আসামি। তাদের ৫ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।

এর আগে গত শুক্র ও শনিবার দুইদিনে ছাত্রলীগের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয় চমেক। সেই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে সার্জারি বিভাগের প্রফেসর ডা. মতিউর রহমানকে আহ্বায়ক করে গঠন করা হয়েছে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মুকেশ কুমার দত্ত, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আরিফুর রহমান, হোস্টেল কমিটির চেয়ারম্যান ডা. মিজানুর রহমান চৌধুরী ও ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রিজোয়ান রেহান।

এদিকে শনিবার সকাল ১০টার দিকে মেডিকেল কলেজের মূল গেট সংলগ্ন এলাকায় হামলার শিকার মাহাদি জে আকিবের মাথায় অস্ত্রোপচার শেষে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ক্যাম্পাসে এখন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বিবদমান দুই গ্রুপের একপক্ষ নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাক আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী এবং অন্যপক্ষ সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচতি।