চীনের যে নতুন অস্ত্রের পরীক্ষায় তাজ্জব বনে গেল যুক্তরাষ্ট্র

পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম—এমন একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র গত আগস্টে পরীক্ষামূলকভাবে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে বেইজিংছবি: এএফপি

এ বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছিল এএফপি। কিন্তু এএফপির এই অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি পেন্টাগন।

চীন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়াসহ অন্তত পাঁচটি দেশ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে।

যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশ ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় ইতিমধ্যে প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তৈরি করেছে। তবে তারা হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তের পাশাপাশি তা ঠেকাতে সক্ষম কি না, সে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের যে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, তাতে তা শনাক্ত ও ঠেকানো বেশ কঠিন।

গতানুগতিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রও পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম। তবে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র অত্যাধুনিক। এটি শব্দের চেয়ে পাঁচগুণ বেশি গতিতে ছুটতে পারে।

চীনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের খবরটি এমন একসময় এল, যখন দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বিভিন্ন ইস্যুর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র-চীনের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েনের কেন্দ্রে রয়েছে তাইওয়ান। তাইওয়ানকে নিজেদের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন একটি প্রদেশ মনে করে চীন। কিন্তু তাইওয়ান নিজেদের সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে দাবি করে। বেইজিং-তাইপের মধ্যকার বিরোধে যুক্তরাষ্ট্রকে পাশে পাচ্ছে তাইওয়ান।