ছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, ৬ আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

ছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, ৬ আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গোপালগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শীতল চন্দ্র পাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে রোববার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তারা গোপালগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হুমায়ুন কবির, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া সুলতানা লিপি ও মো. শরীফুর রহমানের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

জানা গেছে, বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী তার বন্ধুর সঙ্গে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নবীনবাগস্থ হেলিপ্যাড থেকে হেঁটে বের হচ্ছিলেন। এ সময় ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকে কয়েকজন যুবক তাদের তুলে নেয়। পরে পাশে নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে বন্ধুকে মারধর ও ছাত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণ করে। পরে রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাজিউর রহমান গোপালগঞ্জ সদর থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

এদিকে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন স্থান থেকে ৬ আসামিকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা দলবেঁধে ধর্ষণে নিজেদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি স্বীকার করেছে। পরে শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে আসামিদের গোপালগঞ্জ থানায় সোপর্দ করা হয়।

আদালতের বরাত দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা শীতল পাল বলেন, আসামিরা দলবেঁধে ধর্ষণের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। একে একে ৬ আসামি এ ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, তাদেরকে আদালতে হাজির করে ১৬৪ ধারায় তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আদালতে আবেদন করে পুলিশ। পরে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৬ আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।