দুই বছর পরপর হবে বিশ্বকাপ ফুটবল

সংগ্রহীত

দুই বছর পরপর হবে বিশ্বকাপ ফুটবল
প্রতি দুই বছর পরপর বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজনের ব্যাপারে আশাবাদী ফিফা। এ ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়াও পেয়েছেন বলে জানান ফিফার টেকনিক্যাল ডিরেক্টর আর্সেন ওয়েঙ্গার। সাবেক ফুটবলার ও কোচদের সঙ্গে এ বিষয়ে প্রচার প্রচারণার কাজও করছেন সাবেক এই ফুটবলার। এদিকে সাবেক ড্যানিশ ফুটবলার পিটার স্মাইকেলের মতে, নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে উপকৃত হবে ছোট দেশগুলো।

চার বছর নয়, বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজন করা হবে প্রতি দুই বছর পর পর। ফিফার কাছে এই পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন ফিফার গ্লোবাল ফুটবল ডেভেলপমেন্টের প্রধান সাবেক আর্সেনাল কোচ আর্সেন ওয়েঙ্গার। আর এই পরিকল্পনার পক্ষে পূর্ণ সমর্থন পেতে এরই মধ্যে প্রচার প্রচারণাও শুরু করে দিয়েছেন ফিফার এই কর্মকর্তা।

প্রায় ৮০ জন সাবেক ফুটবলার ও কোচ নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই প্রচার প্রচারণার কাজ করছেন ওয়েঙ্গার। নতুন এই পরিকল্পনা নিয়ে বেশ আশাবাদী ফ্রান্সের সাবেক এই ফুটবলার।

ফিফার টেকনিক্যাল ডিরেক্টর আর্সেন ওয়েঙ্গার বলেন, ‌’ইতোমধ্যেই আমরা বেশ ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি, কিন্তু এটা একটা গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত। ফিফার সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন ২১১টি দেশকে এ ব্যাপারে ঐক্যমত্যে পৌঁছাতে হবে। সেজন্য সবার সঙ্গেই আমরা আলোচনা করছি। ডিসেম্বর পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে। এরপর সব ফেডারেশনকে জানানো হবে শেষ পর্যন্ত কি হবে।‌’

ডিসেম্বর ফিফা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বিশ্বকাপ প্রতি চার বছর পর নাকি দুই বছর পরপর আয়োজন করা হবে। তবে সাবেক এই ড্যানিশ ফুটবলারের মতে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে উপকৃত হবে ছোট দেশগুলো।
ডেনমার্কের সাবেক ফুটবলার পিটার স্মাইকেল জানান, ‌’আমার মতে, প্রতি দুই বছর পর পর যদি বিশ্বকাপ আয়োজন করা হয়, তাহলে খুবই ভালো হবে। কারণ আমাদের মত ছোট দেশগুলো থেকে যারা আসে প্রতি চার বছর পর পর বিশ্বকাপের জন্য কোয়ালিফাই করাটা সেসব দেশের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়ে। যদি প্রতি দুই বছর পরপর বিশ্বকাপ হয়, তাহলে সেখানে ছোট দেশগুলো উপকৃত হবে বেশি।‌’

এরই মধ্যে নতুন এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছেন ইউরোপিয়ান ফুটবলের অন্যতম ব্যক্তিত্ব স্প্যানিশ লিগের প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের তেভাস। তার মতে নতুন এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে, বিশ্বকাপ ফুটবল হারাবে তার জৌলুস, সেই সঙ্গে সমর্থকরা হারাবে আগ্রহ।