দেশে সামরিক অভ্যুত্থান ‘অপরিহার্য’ ছিলো: জেনারেল মিন অং হ্লাইং

সংগ্রহীত

দেশে সামরিক অভ্যুত্থান ‘অপরিহার্য’ ছিলো: জেনারেল মিন অং হ্লাইং

দেশে সামরিক অভ্যুত্থান ‘অপরিহার্য’ ছিল বলে দাবি করেছেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং। সেনা অভ্যুত্থানের ঘটনার পর এই প্রথম মুখ খুললেন তিনি।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ফেসবুক পাতায় সেনাপ্রধানের যে বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, “বহু বার আর্জি জানানো হয়েছিল। কিন্তু কোনও ফল হয়নি। সে কারণেই আমরা এই পথ বেছে নিতে বাধ্য হলাম।”

২০২০ সালের নভেম্বরের নির্বাচনে জালিয়াতি নিয়ে সু চি-র সরকার এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে একটা টানাপড়েন চলছিল। ওই নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয় সু চি-র দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি(এনএলডি)। সোমবার সংসদের অধিবেশন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সেনা অভ্যুত্থানের এই ঘটে।

এর আগে দীর্ঘ দেড় দশক বন্দীদশা কাটিয়ে ২০১৫ সালে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে দেশের নেত্রী নির্বাচিত হন সু চি। কিন্তু দেশের পশ্চিমে রাখাইন প্রদেশ থেকে রোহিঙ্গা মুসলিমদের উচ্ছেদ এবং গণহত্যার অভিযোগে ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক মহলে সু চি-র ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদিও দেশীয় রাজনীতিতে আগের মতোই জনপ্রিয়তা ছিল তার। কিন্তু নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগে সম্প্রতি আঙুল উঠতে শুরু করে তার দিকে।

অন্য দিকে, মিয়নামারের সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার পাশাপাশি হুঁশিয়ারিও দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সু চি-সহ দেশের অন্য রাজনীতিকদের মুক্তি না দিলে এবং ক্ষমতা ফিরিয়ে না দিলে মিয়ানমারের উপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছে জো বাইডেন প্রশাসন। মিয়ানমারের এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দিল্লিও।