নিউইয়র্কে ইতিহাস গড়লেন ২ বাংলাদেশি নারী

নিউইয়র্কে ইতিহাস গড়লেন ২ বাংলাদেশি নারী
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শহর নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী এরিক অ্যাডামস। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিজ শিলওয়াকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হন তিনি।

এই নির্বাচনে কুইন্সের বিচারক ও ব্রকলিনের সিটি কাউন্সিল ওমেন পদে দুই বাংলাদেশি নারী বিজয়ী হয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ এ দুটি পদে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশির বিজয়ে নিউইয়র্কের ঘরে ঘরে এখন চলছে আনন্দ উৎসব।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শহর নিউইয়র্ক। এ শহরের আয়তন, জনসংখ্যা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং ব্যাপ্তি যতটা, ততটাই নিষ্প্রাণ হয়েছে সাধারণ নির্বাচন। মঙ্গলবার সারা দিন বিচ্ছিন্নভাবে একজন দুজন করে ভোটার ভোটকেন্দ্রে এসেছেন। এদের মধ্যে স্বল্পসংখ্যক বাংলাদেশিও ছিলেন।
নিউইয়র্কের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয় বাংলায়। ব্যালট পেপারেও ছিল বাংলা ভাষা। সকাল ৬টা থেকে টানা রাত ৯টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হলেও প্রার্থীরা সুনিশ্চিত বিজয় জেনেও ঘরে বসে ছিলেন না। ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় বিরামহীন প্রচারণা চালিয়েছেন।
এদিকে রাতে ভোটগণনা শেষে দ্রুতই ফল আসতে থাকে। নির্বাচনে মেয়র পদে বিজয়ী হন এরিক অ্যাডামস। দুই বাংলাদেশি প্রার্থী কুইন্স কাউন্টি বিচারক পদে অ্যাটর্নি সোমা সাঈদ ও ব্রকলিনে সিটি কাউন্সিলওমেন হিসেবে বিজয়ী হন শাহানা হানিফ।

কুইন্সের বিচারক পদে বিজয়ী অ্যাটর্নি সোমা সাঈদ বলেন, খুব ভালো লাগছে জিততে পেরে। এই জয় প্রত্যেকটা ইমিগ্র্যান্ট বাংলাদেশিদের জন্য।

ব্রকলিনে কাউন্সিলওমেন পদে বিজয়ী শাহানা হানিফ, আমার খুবই ভাল্লাগছে, আমি আশাবাদী যে আমিই শেষ বাংলাদেশি না।
নিউইয়র্কে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রাইমারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত জুনে। নিজ দলের প্রার্থীদের মধ্যে কে চূড়ান্ত প্রার্থী হবেন, দল কিংবা দলীয় নেতারা নন, এই প্রাইমারিতে ভোটাররাই তা ঠিক করেন। প্রাইমারিতে যারা বিজয়ী হন, ডেমোক্র্যাট অধ্যুষিত হওয়ায় সাধারণত তারাই মূল নির্বাচনে চূড়ান্ত বিজয় পান। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।