নোয়াখালীর পরিস্থিতি শান্ত, সতর্ক অবস্থায় পুলিশ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনীর রাম ঠাকুর আশ্রমের ফটকে সতর্ক অবস্থায় আছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। রোববার বেলা ১১টার দিকে সংগ্রহীত

দুই দিন আগে হামলা-ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো এখনো বন্ধ। এ ছাড়া হামলা-ভাঙচুর হয়নি এমন অনেক দোকানও বন্ধ রাখা হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে রাম ঠাকুরের আশ্রম এলাকার একজন ব্যবসায়ী বলেন, গত শুক্রবার যে তাণ্ডব চলেছে, তা নজিরবিহীন ও অকল্পনীয়। এতে দীর্ঘদিনের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের সম্পর্কে একটা চিড় ধরেছে। অনেকে এখনো আতঙ্কিত, তাই দোকান খুলছেন না।

এদিকে শুক্রবারের হামলা-ভাঙচুর ও দুজন ইসকনভক্ত নিহত হওয়ার ঘটনায় গতকাল শনিবার রাত পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি। এ ঘটনায় আটক করা ৪৮ জনের তথ্য যাচাই–বাচাই করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামছুন নাহার প্রথম আলোকে বলেন, বেগমগঞ্জের চৌমুহনীর সার্বিক পরিস্থিতি এখন শান্ত। মন্দিরের সামনে ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বিজিবি ও র‌্যাবের সদস্যরা নিয়মিত টহল দিচ্ছেন।

কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে চৌমুহনী শহরের বিভিন্ন মসজিদ থেকে কয়েক হাজার মুসল্লি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। তাঁরা চৌমুহনী ডিবি রোডে (ফেনী-নোয়াখালী সড়ক) গিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের দোকানপাট, মন্দির ও বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর চালান। এ ঘটনায় নিহত হন যতন সাহা (৪২) ও প্রান্ত চন্দ্র দাস (২৬)।