পরমাণু সমঝোতার একমাত্র পথ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

সংগ্রহীত

পরমাণু সমঝোতার একমাত্র পথ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

পরমাণু সমঝোতা নিয়ে সৃষ্ট অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে এই সমঝোতাকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়ার একমাত্র উপায় হচ্ছে তেহরানের ওপর আরোপিত আমেরিকার বেআইনি ও নিপীড়নমূলক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা বলে জানিয়েছে ইরান।

ইরানের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি বুধবার সন্ধ্যায় গ্রিসের পররাষ্ট্র সচিব সামিস্টুক্লিস দিমিত্রিসের সঙ্গে এক ভিডিও কলে এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলোকে পরমাণু সমঝোতাকে পুনরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে অবশিষ্ট যে কূটনৈতিক সুযোগটুকু রয়েছে সেটুকুর সদ্ব্যবহার করতে হবে। তারা যেন এমন কোনো ধ্বংসাত্মক কাজ না করে যাতে এই সুযোগটুকুও হাতছাড়া হয়ে যায়।

আরাকচি বলেন, সমসাময়িক যুগের অন্যতম সফল কূটনৈতিক অর্জন- পরমাণু সমঝোতাকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে আমেরিকাকে নিঃশর্তভাবে এতে ফিরে আসতে এবং তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। ওয়াশিংটন তা করলে তেহরানও নিজের প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি বাস্তবায়নে ফিরে যাবে।

আইএইএ’র নির্বাহী বোর্ডের সভায় তিন ইউরোপীয় দেশের ইরানবিরোধী প্রস্তাব উত্থাপনের প্রতি ইঙ্গিত করে আরাকচি বলেন, আইএইএ’র মহাসচিবের সাম্প্রতিক তেহরান সফরে দু’পক্ষের মধ্যে যখন একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো তখন ফ্রান্স, ব্রিটেন ও জার্মানির এ আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। ইরানের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমেরিকার ‘সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের’ নীতি ব্যর্থ হওয়ার পর ইউরোপের পক্ষ থেকে একই ধরনের চাপ প্রয়োগ মেনে নিতে তেহরান কোনো অবস্থায় রাজি নয়।

ভিডিও কলে গ্রিসের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ইউরোপ সব সময় আমেরিকার পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়া ও ইরান বিরোধী নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিপক্ষে ছিল।এছাড়া ইরানের পরমাণু সমঝোতার প্রতি গ্রিসের অকুণ্ঠ সমর্থন রয়েছে বলেও তিনি অভিমত প্রকাশ করেন।