পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেফতার ১

সংগ্রহীত

পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেফতার ১

পাওনা টাকা চাইতে গেলে ব্যবসায়ী আহসান হাবিবকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ও শরীরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করেন নুরুন নবী ওরফে রনি (২৭)। হত্যাকাণ্ডটি ঘটাতে নুরুন নবীর সঙ্গে আরও তিন সহযোগী ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মঙ্গলবার (০৮ জুন) দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মুক্তা ধর।

গত ৭ মে সাভারে বিভিন্ন দোকান থেকে পাওনা টাকা আদায় করতে বের হয়েছিলেন ব্যবসায়ী আহসান হাবীব। তাকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার হরিনহাটি এলাকার একটি বাসার নিচতলায় আগুনে দগ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন। পরের দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহসান হাবিব হাসপাতালে মারা যান। নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর (১১ মে) আহসান হাবিবের মরদেহ শনাক্ত করে তার পরিবার। এই ঘটনায় নিহতের শ্যালক জাকারিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মুক্তা ধর বলেন, গত ৭ মে সন্ধ্যায় ব্যবসায়ী আহসান হাবিব গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার হরিনহাটি এলাকার নুরুন নবী ওরফে রনির (২৭) কাছে পাওনা ২০ লাখ টাকা চাইতে যান। আর এই পাওনা টাকা চাওয়ার জেরেই হাবিবকে খুন হতে হয়।

সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, ঘটনার পর ছায়া তদন্ত শুরু করে সিআইডির টিম। তদন্তে জড়িত আসামি সম্পর্কে তথ্য ও অবস্থান শনাক্ত করা হয়। সোমবার (০৭ জুন) রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি মো. নুরুন নবী ওরফে রনিকে গ্রেফতার করা হয়।

মুক্তা ধর বলেন, নুরুন নবীর কাছ থেকে নিহত ব্যবসায়ী আহসান হাবিব ২০ লাখ টাকা পেতেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ব্যবসায়িক বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জের ধরে রনি তার আরও তিনজন সহযোগীকে নিয়ে আহসান হাবিবকে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করেন, এরপর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন।

গ্রেফতার আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পলাতক সহযোগীদের গ্রেফতারের মাধ্যমে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে অভিযান চলছে বলে জানান সিআইডির এই কর্মকর্তা।