পেঁয়াজের বাজার একটু নাজুকের আশঙ্কা, চলছে সহনীয় রাখার চেষ্টা

সভা শেষে অনলাইনে যুক্ত হয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। অন্যদিকে, বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ সশরীর উপস্থিত থেকে কথা বলেন।

বাণিজ্যসচিব বলেন, দেশের বাজারে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির আংশিক দায় ভারতে দাম বাড়ার বিষয়টি। এ ছাড়া আশঙ্কা থেকেও দেশে পেঁয়াজের দাম বাড়ানো হয়েছে।

বাণিজ্যসচিব বলেন, আগামী এক মাস পরিস্থিতি একটু নাজুক থাকবে। কারণ, নতুন উৎপাদিত পেঁয়াজ এই সময় আসবে না। তবে তাঁরা আশা করছেন, পেঁয়াজের দাম আর বাড়বে না।

এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁরা চেষ্টা করবেন, এই এক মাস যেন পেঁয়াজের দাম সহনীয় থাকে। সবদিক থেকেই তাঁরা এই চেষ্টা করছেন।

সভায় এনবিআর, টিসিবি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ভোজ্যতেল, চিনি ও মসুর ডালের মূল্য নিয়েও আলোচনা হয়।

সভার শুরুতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান এই চার পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য ও বাংলাদেশের পরিস্থিতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় পেঁয়াজ পরিবহনকারী ট্রাক চলাচলে যাতে জটলা সৃষ্টি না হয়, সে জন্য স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে প্রতিদিন দুটি দল ঢাকায় সিটি করপোরেশন এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ বাজার তদারক করবে। আর সারা দেশে বাজার মনিটরিং অব্যাহত রাখা হবে। জেলা-উপজেলায় জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে এই মনিটরিংয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সহায়তা করবেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, টিসিবি গত সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিদিন সারা দেশে ৪০০ ট্রাকে ৪০০ থেকে ১ হাজার কেজি পেঁয়াজ বিক্রির কার্যক্রম চালাচ্ছে।

এ ছাড়া ভারত ও তুরস্ক থেকে ১৫ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ ইতিমধ্যেই সংগ্রহ করা হয়েছে। আরও পেঁয়াজ সংগ্রহের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।