প্রকল্প পরিচালকদের প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করতে হবে : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

সংগ্রহীত

প্রকল্প পরিচালকদের প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করতে হবে : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

গবেষণাধর্মী প্রকল্পের মাধ্যমে রাষ্ট্র লাভবান না হলে সে প্রকল্প নেওয়ার কোন অর্থ হয় না জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, এজন্য প্রকল্প শেষে এর ফলাফলের সাথে যাতে জনগণকে সম্পৃক্ত করা যায় সে বিষয়টি মাথায় রেখে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রকল্প পরিচালকদের আবশ্যিকভাবে প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করে প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

সোমবার (২৪ মে) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ২০২০-২১ অর্থবছরে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের প্রকল্পসমূহের এপ্রিল, ২০২১ অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সভায় ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের  মৎস্য উপখাতে মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ১৩টি, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ৪টি, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ৩টি এবং মন্ত্রণালয কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ১টিসহ মোট ২১ টি প্রকল্পের এপ্রিল, ২০২১ পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। এ প্রকল্পসমূহের এপ্রিল, ২০২১ পর্যন্ত আর্থিক অগ্রগতি ৬৯.০২ শতাংশ, যেখানে জাতীয় গড় অগ্রগতি ৪৯.০৯ শতাংশ।

সভায় প্রকল্প পরিচালকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প পরিচালকদের আবশ্যিকভাবে প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করে প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। প্রকল্প এলাকায় না থাকলে গুণগতমানের কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায় না। যেকোন মূল্যে প্রকল্পের কাজ ত্বরান্বিত করতে হবে। অনিবার্য কারণে প্রকল্পের সময় বৃদ্ধি করা হলেও অর্থ কোনভাবেই বৃদ্ধি করা হবে না।

এসময় তিনি বলেন, করোনাকালে মৎস্য খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মিটিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ খাত ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। মৎস্য খাতের বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত আশাবাদী। এজন্য করোনাকালেও মৎস্য খাতের সকল প্রকল্প তিনি অনুমোদন দিয়েছেন। এ বিষয় বিবেচনায় রেখে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে নিষ্ঠাবান হতে হবে। প্রকল্পের কাজে কোন ধরণের ফাঁকি দিলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মোঃ তৌফিকুল আরিফ, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নীলুফা আক্তার, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকগণ এবং পরিকল্পনা কমিশন ও আইএমইডি এর প্রতিনিধি সভায় অংশগ্রহণ করেন।