ফখরুলের বঙ্গোপসাগরে ঝাঁপ দেওয়া উচিৎ,ওবায়দুল কাদের

ফখরুলের বঙ্গোপসাগরে ঝাঁপ দেওয়া উচিৎ,ওবায়দুল কাদের

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মতো ব্যর্থ নেতাদের পদত্যাগ করে বঙ্গোপসাগরে ঝাঁপ দেওয়া উচিত বলে মনে করছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বুধবার দুপুরে রাজধানীর বনানীতে সেতু ভবনে নিয়মিত বোর্ডসভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ মন্তব্য করেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শ্রীলঙ্কা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকারের লাভ হবে না। আওয়ামী লীগ শিক্ষা নিতে জানে না।

তাহলে গত দশ বছরে তারা শিক্ষা নিত। রাজাপক্ষের সরকারের চেয়েও আওয়ামী লীগের খারাপ অবস্থা হবে। শ্রীলঙ্কায় তো সব নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, আর এরা বঙ্গোপসাগরে ঝাঁপিয়ে পড়বে।

এ বক্তব্যের উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ফখরুলের মতো আন্দোলনে ব্যর্থ, নির্বাচনে ব্যর্থ নেতার বঙ্গোপসাগরে ঝাঁপ দেওয়া দরকার। তার পদত্যাগ করা উচিত। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের তাকে জিজ্ঞাসা করতে বলেন—এতো দগদগে ব্যর্থতা নিয়ে ঝাঁপ দিচ্ছেন না কেন।

শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপির মন্তব্য প্রসঙ্গে কাদের বলেন, বিএনপি আত্মতুষ্টিতে ভুগছে। তবে বাস্তবতা এক নয়।

বিএনপি অতীতে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে কখনো আরব বসন্ত, কখনো হেফাজতে ভর করে বলে মন্তব্য করেছেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, তারা কোটা বিরোধী আন্দোলন ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনেও স্বপ্ন দেখেছিল। এসব বিষয় অক্ষম, মেরুদণ্ডহীন বিএনপির সাময়িক আত্মতুষ্ঠিতে ভোগা ছাড়া কিছু নয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গত নির্বাচনের আগেও তারা অংশ নেবে না বললেও শেষে ঠিকই  নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। পানি ঘোলা করে হলেও তারা পানি খেয়েছে, সংসদে গিয়েছে। কিন্তু ফখরুল সাহেব কাণ্ডজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছেন সংসদে না গিয়ে। তিনি নির্বাচনে জিতেছেন, নির্বাচিতদের সংসদে পাঠিয়েছেন। কিন্তু নিজে যাননি। কোন রহস্যের কারণে তিনি সংসদে যাননি জাতি জানতে পারেনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের। এখানে আওয়ামী লীগ জোর করে কিছু চাপিয়ে দিচ্ছে না। তবে আওয়ামী লীগ কমিশনের সঙ্গে সংলাপে পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে- আমরা ৩০০ আসনে ইভিএম চাই। আওয়ামী লীগ সেটা দাবি করতে পারে, কিন্তু নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেবে সেটা তাদের বিষয়।