ফাইজারের টিকা আসার সময় পেছাল

সংগ্রহীত

ফাইজারের টিকা আসার সময় পেছাল

এখনই দেশে আসছে না ফাইজারের এক লাখ ৬ হাজার ২০০ ডোজ টিকা। রোববার (৩০ মে) রাতে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে টিকার চালান ঢাকায় পৌঁছানোর কথা থাকলেও সময় পিছিয়ে সেটি আসতে পারে আগামী মাসের ২য় সপ্তাহে। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সব দেশের জন্য কোভিড টিকা নিশ্চিতে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক উদ্যোগে কোভ্যাক্স থেকে আসা এটিই হবে প্রথম চালান। তবে এ টিকা মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, কিছুটা জটিলতা থাকলেও প্রয়োজনীয় সক্ষমতা আছে বাংলাদেশের।

কোভিশিল্ড ও সিনোফার্মের পর তৃতীয় কোনো টিকা হিসেবে ফাইজারের এক লাখ ৬২০ ডোজ আসবে। তবে এর সংরক্ষণ ও বিতরণ পদ্ধতি আগের দুই টিকার মতো সহজ নয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই টিকা ঢাকায় আসার পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিয়ে ইপিআইয়ের তত্ত্বাধয়ানে নিয়ে যাওয়া হবে মহাখালী সংরক্ষণাগারে। সেখানে আল্টা-লো ফ্রিজারে রাখা হবে মাইনাস ৬০ থেকে মাইনাস ৮০ ডিগ্রিতে। তবে কেন্দ্রে নেওয়ার আগে আইএলআর রেফ্রিজারেটরে ৮ ঘণ্টা রেখে উপযোগী করা হবে ২ থেকে ৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় রাখার। আর এ অবস্থায় টিকা রাখা যাবে সর্বোচ্চ ১২০ ঘণ্টা বা ৫ দিন। কেন্দ্রে নেওয়ার পর ডাইলুয়েন্ট মিশিয়ে ৬ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োগ করতে হবে মানবদেহে। সংরক্ষণ ও প্রয়োগ পদ্ধতিতে আগের ভ্যাকসিনগুলোর তুলনায় কিছু ভিন্নতা থাকায় ফাইজারের টিকার অপচয় রোধ করার দিকে নজর রাখার অন্যতম চ্যালেঞ্জ বলে মনে করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত ঠিকাদান কর্মসূচির পরিচালক ডা. শামসুল হক বলেন, এখানে অবশ্যই আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। আর ছয়জন মানুষকে প্রস্তুত করে আমাদের ভ্যাকসিন কাজটা শুরু করতে হবে। তবে আমরা এক একটা ভায়েলকে ব্যবহার করতে পারব। 

আপাতত রাজধানীতেই ফাইজারের টিকা প্রয়োগের কথা ভাবা হচ্ছে। তবে এখনো নির্বাচন হয়নি কেন্দ্র। সবার দ্বিতীয় ডোজ নিশ্চিত করতে ৫০ হাজার মানুষকে দেওয়া হবে এ টিকা। তবে মৃত্যুহার কমাতে প্রাথমিক গবেষণায় ৯৫ শতাংশ কার্যকারিতা প্রমাণিত এ টিকা পঞ্চাশোর্ধ্ব নাগরিকদের দেওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।