বন্দীদশা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন ক্রিকেটাররা

সংগ্রহীত

বন্দীদশা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন ক্রিকেটাররা

নিউজিল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের তৃতীয় দফা করোনা টেস্টেও সবাই নেগেটিভ এসেছেন। এর ফলে, স্কিল ট্রেনিং শুরু করতে আর কোন বাঁধা রইল না টিম টাইগারদের। তবে, এখনই পুরো দল একসঙ্গে নামতে পারবেন না অনুশীলনে।

দলের সদস্যদের তিন ভাগে ভাগ হয়ে যেতে হবে অনুশীলন মাঠে। তবে, এসব কিছু ছাপিয়ে এতোদিন পর মাঠে নামতে পারার সুযোগ আসায় উচ্ছ্বসিত তামিম-রিয়াদরা।

তাসমান সাগর পাড়ে দল গিয়েছে, সেটাও দিন সাতেক আগের কথা। এরপর, বিমানবন্দরে নামার পর থেকে সেই যে বোতল বন্দী হয়েছিল ক্রিকেটাররা, সেটা এখন শেষের পথে। পরপর তিন ধাপে করোনা টেস্টে নেগেটিভ এসেছেন বাংলাদেশ দলের সকল সদস্য। আর, এ সময়টাতে, কোয়ারেন্টিন নিয়মটাও তারা মেনেছেন সুবোধ বালকের মতো। তাই তো, ক্রাইস্টচার্চের হোটেলের লবি এবং বাগানে ঘোরাঘুরি করে সময় কাটানোর ইতি হতে যাচ্ছে টিম বাংলাদেশের।

জিম সেশনে অংশ নেয়ার অনুমতি মিলেছিল একদিন আগেই। এবার, আসলো আরো বড় সুখবর। মাঠের সবুজে দাপাতে পারবেন ক্রিকেটাররা। তবে, একটু নিয়মের মধ্যে থেকে। পুরো দলকে ভাগ হতে হবে তিন ভাগে। অনুশীলনটা করতে হবে আলাদা আলাদা।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার মোহাম্মদ মিঠুন বলেন, খুব ভালো লাগছে। দিনের পর দিন ঘরে থাকতে থাকতে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলাম। টুকটাক বের হতে পারলেও, সেটা স্বাভাবিক জীবনের মতো ছিল না। এখন আমরা জিম করতে পারবো। অনুশীলনও শুরু হবে। খোলা বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে পারবো। ভেবেই আনন্দ লাগছে।

অনুশীলনের সুযোগ মিললেও, এখনই থাকছে না পুরো স্বাধীনতা। ১৪ দিন পরেই কেবল স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন ক্রিকেটাররা। বিষয়টা কঠিন মানছেন তারা, কিন্তু মাঠে নামার সুযোগ আসায় উচ্ছ্বসিত পুরো দল।

মিঠুন বলেন, অনুশীলনে শুরু হলেরো আমরা স্বাভাবিক ভাবে আসা-যাওয়া করতে পারবো না। তবে, সেটা এখন আর চিন্তার বিষয় না। আমরা মাঠে নামার সুযোগ পাচ্ছি, এটাই আসল। দেশেও হোটেলের বাইরে যেতে পারতাম না, সে তুলনায় এখানে তো ভালোই আছি।

দশ মার্চ ক্রাইস্টচার্চ ছেড়ে কুইন্সটাউনে যাবে বাংলাদেশ। সেখানে ৫ দিন অনুশীলন করবে দল। পরে ১৬ মার্চ একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে তারা। অর্থ্যাৎ, কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষে মানিয়ে নিতে হবে আবহাওয়ার সঙ্গেও। চ্যালেঞ্জ আছে জানেন, তবে তা উৎরানোর কৌশলটাও না কি জানা আছে মিঠুনের।

ক্রিকেটার মিঠুন বলেন, আমাদের রেকর্ড এখানে ভালো না। তবে, এবারের সফরটা একটু আলাদা। আমরা অনেকদিন আগে এসেছি। আশা করি, সবাই নিজেদের মানিয়ে নিতে পারবে।

ডানেডিনে ২০ মার্চ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।