বাংলাদেশ চাইলে নির্বাচনপ্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে জাতিসংঘ : মিয়া সেপ্পো

আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিমধ্যে আলাপ-আলোচনা শুরু হয়ে গেছে।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দলীয় কর্মপন্থা ঠিক করতে যাচ্ছে বিএনপি। সম্প্রতি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামী নির্বাচন অবশ্যই নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে হতে হবে। আর সেই নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায়।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বপ্ন দেখে আর লাভ নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের সম্প্রতি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে দেশে আইন নেই। অথচ ইসি গঠনে একটি আইন প্রণয়ন করতে হবে বলে সংবিধানে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। আইনের মাধ্যমে সৎ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন করা হলে নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর হবে।

অনুষ্ঠানে আলোচিত-সমালোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়েও কথা বলেন জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি। তিনি বলেন, এই আইন পর্যালোচনা ও তার অপব্যবহার বন্ধ করতে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে জাতিসংঘ।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে মিয়া সেপ্পো বলেন, রোহিঙ্গা সংকট কেবল মানবিক নয়, রাজনৈতিকও বটে।

জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি আরও বলেন, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা একমত হতে না পারায় রোহিঙ্গা সংকটের রাজনৈতিক সমাধান হচ্ছে না।