বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাতে হোয়াইট হাউসে যাচ্ছেন আফগান প্রেসিডেন্ট

সংগ্রহীত

গত এপ্রিল মাসের শুরুর দিকে বাইডেন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন, চলতি বছরের ১১ সেপ্টেম্বরের আগেই আফগানিস্তান থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে। এ লক্ষ্যে ১ মে থেকে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলা হয়। সেই হামলার জের ধরে আফগানিস্তানে সামরিক অভিযানে যায় যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের দীর্ঘতম এ যুদ্ধের ২০ বছর পূর্তির আগেই আফগানিস্তান থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। বাইডেনের ঘোষণা অনুযায়ী ইতিমধ্যে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরুও হয়ে গেছে।

বাইডেন যখন ঘোষণা দেন, তখন আফগানিস্তানে প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছিলেন। তাঁদের সবাইকে প্রত্যাহার করা হলে আফগানিস্তানে নিরাপত্তাঝুঁকি সৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। অনেক বিশ্লেষক আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, আফগানিস্তান থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর তালেবান জঙ্গিরা দেশটির ক্ষমতা দখল করে নিতে পারে।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি গতকাল রোববার এক বিবৃতিতে বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে আফগান প্রেসিডেন্ট গনি ও দেশটির শান্তিপ্রক্রিয়ার প্রধান আবদুল্লাহ সাক্ষাৎ করবেন। তাঁদের আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও আফগানিস্তানের মধ্যকার স্থায়ী অংশীদারত্বের বিষয় গুরুত্ব পাবে।

জেন সাকি বলেন, আফগানিস্তানকে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক সহায়তা দিতে ওয়াশিংটন অঙ্গীকারবদ্ধ।

আফগানিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তালেবানের প্রায় প্রতিদিনই লড়াই-সংঘাত অব্যাহত আছে। আফগানিস্তানের অন্তত ৪০টি জেলা দখলে নেওয়ার দাবি করেছে তালেবান।

অবশ্য আফগান প্রেসিডেন্ট গনি আগে দাবি করেছিলেন, দেশটির সরকারি বাহিনী জঙ্গিদের কোণঠাসা করে রাখতে সক্ষম। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, তালেবানের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে দেশটির সরকারি বাহিনী।