বাবর আজমরা নতুন ইতিহাস গড়ল

বাবর আজমরা নতুন ইতিহাস গড়ল

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯ রানের ব্যবধানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে নিল পাকিস্তান। আগে ব্যাট করে পাকিস্তান করে ১৭২ রান। জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেমেছে ১৬৩ রানে। চলতি বছরে এ নিয়ে ১৯ টি-টোয়েন্টি জিতল বাবর আজমরা। এক বর্ষপঞ্জীতে এটাই রেকর্ড জয়। এর আগে ২০১৮ সালে রেকর্ড ১৭ ম্যাচে জয় পেয়েছিল পাকিস্তান। নিজেদের সেই রেকর্ড ভেঙ্গে এবার নতুন ইতিহাস গড়ল বাবর আজমরা।

করাচির জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। আগে ব্যাট করে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৭২ রান করে পাকিস্তান। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৩১ রানে ২ উইকেট হারায় উইন্ডিজ।

চার নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নামা অধিনায়ক নিকোলাস পুরানকে সঙ্গে নিয়ে ৪৬ বলে ৫৪ রানের জুটি গড়েন ওপেনার ব্রান্ডন কিং। তাদের এই জুটিতেই জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল উইন্ডিজ।

এরপর সময়ের ব্যবধানে উইকেট হারায় ক্যারিবীয়রা। ২৬ বলে ২৬ রান করে দলীয় ৮৫ রানে ফেরেন অধিনায়ক নিকোলাস। ১১ বলে ৪ রানে ফেরেন রোভম্যান পাওয়েল। ইনিংসের শুরু থেকে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে যাওয়া ব্রান্ডন কিং ফেরেন ক্যাচ তুলে দিয়ে। তার আগে ৪৩ বলে ৬টি চার ও তিন ছক্কায় দলীয় সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন তিনি।

৬ বলে ১২ রান করে ফেরেন ওডিন স্মিথ। ১৭তম ওভারে বোলিংয়ে এসে পরপর দুই বলে ডমিনিক ড্রাকস ও হিডেন ওয়ালসকে আউট করেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। নিজের ঠিক পরের ওভারে আকিল সোহেনকে রান আউট করেন শাহিন।

শেষ দিকে একের পর এক উইকেট পতনের কারণে জয়ের আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত হেরে যায় উইন্ডিজ।

পাকিস্তানের পক্ষে শাহীন তিনটি এবং নওয়াজ, ওয়াসিম এবং রউফ দুইটি করে উইকেট শিকার করেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
পাকিস্তান: ২০ ওভারে ১৭২/৮ রান (মোহাম্মদ রিজওয়ান, ৩৮, ইফতেখার আহমেদ ৩২, হায়দার আলী ৩১, শাদাব খান ২৮*)।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২০ ওভারে ১৬৩/ ১০ রান (ব্রান্ডন কিং ৬৭, রোমারিও শিফার্ড ৩৫*, নিকোলাস পুরান ২৬, ওডিন স্মিথ ১২; শাহিন আফ্রিদি ৩/২৬)।

ফল: পাকিস্তান ৯ রানে জয়ী।