বিএনপি উপদেষ্টা স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলম ভোটারদের উদ্দেশে যা বললেন

বিএনপি উপদেষ্টা স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলম ভোটারদের উদ্দেশে যা বললেন

প্রতীক পাওয়ার পরদিন বুধবার নির্বাচনি মাঠে নেমে পড়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) হেভিওয়েট মেয়র প্রার্থী (হাতি মার্কা) অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম বুধবার সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা চষে বেড়ান।

প্রচারকালে তৈমুর আলম ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, আমার রাজনীতি শুরু রাস্তায় খেটে খাওয়া মানুষের সঙ্গে। আমি আপনাদেরই লোক। আমি এই নগরীর লোক, নগরবাসী আমার প্রিয়জন। আমি গরিবের পেটে লাথি মারব না, মারতে পারব না, আর যদি কেউ মারে তাকে প্রতিহত করব-এটাই তৈমুরের নীতি।

এসময় তৈমুর আলমকে দেখতে পেয়ে স্থানীয় মাছ ও সবজি বিক্রেতা থেকে শুরু করে রিকশাচালক সবাই ছুটে আসেন। এদিকে তৈমুর আলম প্রার্থী হওয়ায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির দীর্ঘদিনের মান-অভিমান শেষ করে, ঘরোয়া বিভেদ মিটিয়ে একাট্টা হয়ে তার পক্ষে ভোট চাইতে মাঠে দেখা গেছে দলের নেতাকর্মীদের। এসময় নেতাকর্মীদের বেশ উজ্জীবিত দেখা গেছে। তৈমুরের জয়ের ব্যাপারেও আশাবাদী তারা।

থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন জানান, আমাদের আজ থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত লক্ষ্য একটাই-মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছানো। জয় নিয়েই ফিরতে হবে আমাদের।

এ সময় বিএনপি নেতাদের মধ্যে মনিরুল ইসলাম, রিয়াজুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন, এমএ হালিম জুয়েল, মাজেদুল ইসলাম, টিএইচ তোফা, সিরাজুল ইসলাম, শাহ আলম হীরা, ইমাম হোসেন বাদল, অখিল উদ্দিন ভুঁইয়া, সামসুদ্দিন শেখকে দেখা যায়।

সন্ধ্যার পরও তৈমুর আলমকে গণসংযোগ করতে দেখা যায়। এসময় তিনি ভোটারদের নানা প্রতিশ্র“তি দেন।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের কোনো ক্ষমতা নেই। প্রধানমন্ত্রী যদি ইচ্ছা করেন, তাহলে ভোট সুষ্ঠু হবে। ফলে নাসিক নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি হবে না, এটি নির্ভর করে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছার ওপর। আমার ভালোবাসা সব মানুষের জন্য। কে কোন পেশার, এটা গুরুত্বপূর্ণ না। আমি নিজে এখনো রিকশাচালকদের সভাপতি। আমার পাশে ধনী, গরিব সবাই আছে। মানুষের মাঝে যে চাপা ক্ষোভ আর আক্ষেপ দেখতে পাচ্ছি, এর একটাই কারণ-সেটি হলো তারা পরিবর্তন চায়। ১৮ বছরের একনায়কতন্ত্রে পুরো নগরী অপরিকল্পিত ও দূষণে পর্যুদস্ত।

তিনি বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ ও বন্দর এলাকায় গিয়ে দেখছি সেখানে কী করে মানুষকে আরও পিছিয়ে নেওয়া হয়েছে। ড্রেনেজব্যবস্থা বলতে কিছুই নেই। ময়লা ব্যবস্থাপনা বলতে কিছু নেই। তাহলে ১৮ বছরে নাগরিকরা কী পেয়েছে আর কেনই বা বিশ্বাস রাখবে।