বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানি এনিয়ে ৪১ বার পেছাল

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানি এনিয়ে ৪১ বার পেছাল
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানি আবারও পিছিয়ে ১২ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৮ মার্চ) সকালে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার শুনানি মুলতবি চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন করেন।
আদালতের তথ্য অনুযায়ী, এদিন নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানির দিন ছিল, এনিয়ে ৪১ বার পেছাল। সময় চেয়ে করা আবেদনে উল্লেখ করা হয়, খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই আগামী তারিখে এ মামলার শুনানি হবে।
উল্লেখে, ২০০৭ সালে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলাটি দায়ের করে দুদক। দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন। ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদক আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

তারা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ (মৃত), সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

এ কে এম মোশাররফ হোসেন ২০২০ সালের ১৭ অক্টোবর করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ গত বছরের ১৬ মার্চ মারা গেছেন।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে সরকারে থাকাকালে খালেদা জিয়াসহ বেশ কয়েকজন ক্ষমতার অপব্যবহার করে কানাডার কোম্পানিকে অবৈধভাবে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের সুবিধা পাইয়ে দেন। অভিযোগপত্রে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়। আসামিদের মধ্যে গিয়াসউদ্দিন আল মামুন বর্তমানে কারাগারে আছেন। বাকিদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। এদিন শুনানির সময় গিয়াসউদ্দিন আল মামুন ও অন্য ২ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।