বিএনপি জিয়াকে ঘোষক বানাতে চায়: আ জ ম নাছির

সংগ্রহীত

বিএনপি জিয়াকে ঘোষক বানাতে চায়: আ জ ম নাছির

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, ২৬ মার্চ দুপুরে কালুরঘাট বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার প্রথম পাঠক এম এ হান্নানের ভরাট কণ্ঠটি জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে উদ্দীপ্ত করার ঐতিহাসিক মুহূর্ত। আমাদের দুর্ভাগ্য যে, তৎকালীন প্রথম জাতীয় সংসদের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না দেওয়ায় বিএনপি ইতিহাস বিকৃত করে জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বানাতে চায়।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, অবিভক্ত চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনায় কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার প্রথম পাঠক মরহুম এম এ হান্নানের ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকীতে কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি এসব কথা বলেন।

শনিবার (১২ জুন) সকালে মরহুমের চৈতন্যগলিস্থ কবরে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের নেতৃত্বে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের সময় মহানগর, থানা, ওয়ার্ড ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মুনাজাত শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, মরহুম এম এ হান্নান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর সাহসী ভূমিকা যারা কাছ থেকে দেখেছেন, তারা জানেন। এই মানুষটিই প্রতিরোধ যুদ্ধের কাণ্ডারি ছিলেন। নতুন প্রজন্মকে তাঁর সম্পর্কে জানতে হবে।  

এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, উপদেষ্টা সফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, বন পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ হোসেন, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম চৌধুরী, শিল্প বাণিজ্য সম্পাদক মাহবুবুল হক মিয়া, উপ প্রচার সম্পাদক শহীদুল আলম, কার্যনির্বাহী সদস্য সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, হাজী বেলাল আহমেদ, থানা আওয়ামী লীগের রেজাউল করিম কায়সার প্রমুখ।