বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : শেখ হাসিনা

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : শেখ হাসিনা
বিদেশিদের জন্য বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে অবকাঠামো ও নীতিগত সুবিধা দিতে আওয়ামী লীগ সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। বাণিজ্য কূটনীতি জোরদার করছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সরকার গঠনের পর থেকে বেসরকারি খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। বেসরকারি খাতকে অনেক ক্ষেত্রে উন্মুক্ত করে দিয়েছি। বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ, গ্যাস, বিমান, ব্যাংক, বীমা, শিল্প-কলকারখানাসহ সব ক্ষেত্র উন্মুক্ত করে দিয়েছি। কারণ সরকারের সঙ্গে সঙ্গে বেসরকারি খাতেও যদি উদ্যোক্তা তৈরি না হয়, তাহলে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়ায় না।
তিনি আরও বলেন, রপ্তানিও বাড়িয়েছি আমরা এসে। এ সংক্রান্ত আইনও করেছি। শ্রম আইনও সংশোধন করি। শিল্পায়নের পাশাপাশি শ্রমিকের অধিকারও সুরক্ষিত থাকবে। তরুণ ও নারীদের ট্রেনিং দিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার ব্যবস্থা করছি।
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের (বিআইসিসি) হল অব ফেমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী এবং প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োাগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান।
অনুষ্ঠানে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনও সম্মানিত অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি(ডিসিসিআই) এ আন্তর্জাতিক ভার্চুয়াল সামিট আয়োজন করা হয়।
এর আগে, এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী বলেন, এ শীর্ষ সম্মেলনটি পিপিপি মডেলের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ যা একটি উন্নত অর্থনীতির জন্য একটি সংবাদ নীতি প্রনয়ন ও প্রদর্শনে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সহায়তা করবে।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং অবকাঠামো উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে যা বৈদেশিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে একটি অতিরিক্ত সুবিধা।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সম্ভাব্য কয়েকটি দেশের সঙ্গে এফটিএ ও পিটিএ ছাড়ের জন্য তার মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট-২০২১ সারা বিশ্বের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য একটি দুর্দান্ত প্ল্যাটফর্ম হবে।