বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশি তরুনরা

সংগ্রহীত

বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশি তরুনরা

বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশি তরুনরা। কেউ ব্যবসা করে, কেউ চাকুরি করে, কেউ আবার নিজের আবিস্কার দিয়ে পৃথিবী পাল্টে দেয়ার স্বপ্নে বিভোর। স্বাধীন দেশের নির্ভার তরুনরা চায়, নতুন নতুন অর্জনে বিশ্ব দরবারে দেশের সুনাম সমুন্নত রাখতে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তরুনদের উদ্ভাবনী কাজে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার বিকল্প নেই। প্রয়োজনে আলাদা তহবিল করার তাগিদ তাদের। 

বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় স্ট্যানফোর্ড থেকে উচ্চশিক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্টেই চাকুরি করেছেন শোভন ইসলাম। কম্পিউটার বিজ্ঞানী হিসেবে কাজের সুযোগ হয়েছে বিশ্বের নামি-দামি কোম্পানীতে। তবে সেই চাকুরি কিংবা উন্নত জীবন ব্যবস্থা, সব ছেড়ে মাতৃভূমিতে এসে তৈরি পোশাকের ব্যবসা শুরু করেন তিনি। নিজের মেধা দিয়ে তার প্রতিষ্ঠানকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কাছ থেকে। ফলে এক যুগে প্রায় বিশ গুন প্রসার হয়েছে তার প্রতিষ্ঠান।

দেশ সেবার ব্রত নিয়ে মাঠে নেমেছেন তরুনরা। শিক্ষা জীবনের গন্ডি পেরিয়ে চাকুরি কিংবা ব্যবসার পাশাপাশি নতুন সংগ্রামের নকশা তৈরি করে নেমে পড়েছেন সমাজের অবহেলিত মানুষের জন্য কিছু করতে। জানালেন পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যানে তরুনরা এগিয়ে এলেই পাল্টে যাবে পুরো চিত্র।  

এমন কত শত গল্প জমে আছে তার কোন সঠিক হিসেব না থাকলেও, তরুনরাই যে এদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি তা জানে বিশ্ববাসিও। হিসেব বলছে, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি তরুণ। যাদের কাজ আর দক্ষ নেতৃত্বে হচ্ছে সফলতার নতুন নতুন গল্প। ব্যবসা-বাণিজ্য, বিজ্ঞান, তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিটি খাতেই তরুনদের এগিয়ে যাওয়া এখন উদাহরন বিশ্বের সামনে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেধাবী তরুনদের কল্যানে আর্থিক সহায়তার বিকল্প নেই।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেধাবীদের সরকারি পৃষ্ঠপোশকতায় দেশের অভ্যন্তরেই কাজের পরিবেশ তৈরি করে দেয়ার।