বিয়ে করতে চাপ দিচ্ছেলো প্রেমিকা তাই ধর্ষণের পর হত্যা

সংগ্রহীত

বিয়ে করতে চাপ দিচ্ছেলো প্রেমিকা তাই ধর্ষণের পর হত্যা

দীর্ঘ দিন প্রেমের সম্পর্ক ট্রাকচালক জিরাব আলীর সঙ্গে হামিদা আক্তারের। এরপর জিরাব আলীকে বিয়ের জন্য চাপ দেয় হামিদা। তারপরেই শুরু হয় বিপত্তি। বিয়ে করতে রাজি হয় না জিরাব আলী। ভাতিজার সহায়তায় ধর্ষণের পর প্রেমিকা হামিদাকে  হত্যা করে মরদেহ লালমনিরহাট বুড়িমারী মহাসড়কের পাশে ফেলে রাখে ট্রাকচালক জিরাব আলী।  

লালমনিরহাট সহকারী পুলিশ সুপার (বি -সার্কেল) তাপস সরকার গতকাল সোমবার বিকেলে পাটগ্রাম থানায় সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

লালমনিরহাট সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) তাপস সরকার জানান, প্রতিবেশী রফিকুল ইসলামের স্বামী পরিত্যক্তা মেয়ে হামিদা আক্তারের (২৪) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন ট্রাকচালক জিরাব আলী। হামিদা বিয়ের জন্য চাপ দিলে আগের দুই স্ত্রী ও সন্তান থাকায় বিয়ে করতে অপরাগতা প্রকাশ করেন প্রেমিক জিরাব আলী। ফের বিয়ের জন্য চাপ দিলে একপর্যায়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে তিনি।

পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী গত বছর ডিসেম্বরে বাড়ি থেকে হামিদাকে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে রাখেন জিরাব আলী। এরপর গত বছর ১ ডিসেম্বর রাতে বুড়িমারী স্থলবন্দর আসার পথে ট্রাকে হামিদাকে নিয়ে আসেন। ওই রাতে সহকারী চালক তার ভাতিজা শাহিনুর ইসলাম শাহিনকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে হামিদাকে ধর্ষণ করে। এরপর ভাতিজা শাহিনের সহায়তায় রড দিয়ে পিটিয়ে বিবস্ত্র হামিদাকে হত্যা করে মহাসড়কের পাশে মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায় তারা।

দীর্ঘ ৫ মাস পরে ক্লু-লেস হত্যা মামলার ক্লু উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। পরে দফায় দফায় অভিযান চালিয়ে ২০ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ থেকে ঘাতক ট্রাকচালক জিরাব আলী ও তার ভাতিজা সহকারী চালক শাহিনুর ইসলাম শাহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতে হাজির করা হলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।