ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে কাশ্মীরে শত শত মানুষ আটক

ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে কাশ্মীরে শত শত মানুষ আটক

ভারত কতৃক অবৈধভাবে অধিকৃত কাশ্মীরের নিরাপত্তা বাহিনী সাম্প্রতিক দিনগুলিতে ৩শরও বেশি লোককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। কারণ, তারা হত্যার লক্ষ্যবস্তু সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো ঠেকানোর চেষ্টা করছিল, শনিবার দুই পুলিশ কর্মকর্তা এতথ্য জানান।–রয়টার্স

দেবজ্যোত ঘোষালের লেখা ফ্রান্সিস কেরির সম্পাদনায় রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই সপ্তাহে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে তিনজন হিন্দু এবং একজন শিখ নিহত হয়েছেন, যার ফলে পুলিশ বলছে যে, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। পিস্তল নিয়ে সশস্ত্র জঙ্গিদের ছোট দল সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে, এই বছর ভারতীয় কাশ্মীরে নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে ২৮-এ পৌঁছেছে, পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী।

কাশ্মীর ভারত এবং পাকিস্তান উভয় পক্ষের দ্বারা সম্পূর্ণরূপে দাবি করা হলেও প্রতিবেশীদের দ্বারা কিছু অংশে শাসিত হয়। গত দুই দিনে কাশ্মীরজুড়ে ৩০০ জনেরও বেশি লোককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে,” দুজন পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে একজন বলেন, যারা পরিচয় প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছেন। কারণ, তারা গণমাধ্যমের সাথে কথা বলার জন্য অনুমোদিত নয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছে, নিষিদ্ধ ধর্মীয় সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর সদস্য, হুরিয়াত কনফারেন্স এবং অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সাথে পূর্ববর্তী সংযোগ রয়েছে।
কাশ্মীরের প্রধান শহর শ্রীনগরের একটি সরকারি স্কুলে একজন হিন্দু ও একজন শিখ শিক্ষকের হত্যাকাণ্ডের তদন্তের অংশ হিসেবে তদন্তকারীরা ৪০ জন স্কুল শিক্ষককে তলব করেছেন, রয়টার্সের দেখা প্রথম কর্মকর্তার বয়ান এবং পুলিশের নথিতে রয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, দ্য রেজিস্টেন্স ফ্রন্টের জঙ্গিদের ছোট দল, যাকে তারা পাকিস্তান-সমর্থিত বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নতুন দল বলে বর্ণনা করছে। এদিকে পাকিস্তান কাশ্মীরের কোনো জঙ্গি গোষ্ঠীকে সাহায্য করার কথা অস্বীকার করে বলেছে, পাকিস্তান কাশ্মীরি জনগণকে শুধুমাত্র নৈতিক ও কূটনৈতিক সহায়তা প্রদান করে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বিবৃতিতে দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট বলেছে, দলটি তাদের ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে টার্গেট করছে না, শুধুমাত্র ভারতীয় কর্তৃপক্ষের জন্য কাজ করছে।