ভ্যাকসিন নেওয়ার পর ২১ জনের শরীরে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সংগ্রহীত

ভ্যাকসিন নেওয়ার পর ২১ জনের শরীরে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল দশটায় সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এরপর এক যোগে সারা দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়।

গণটিকাদান কর্মসূচির প্রথম দিনে সারাদেশে টিকা নিয়েছেন ৩১ হাজার ১৬০ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ২৩ হাজার ৮৫৭ জন এবং নারী ৭ হাজার ৩০৩ জন। এর মধ্যে টিকা নেওয়ার পর মাত্র ২১ জনের সামান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (যেমন: জ্বর, টিকা দেওয়া স্থানে লাল হাওয়া ইত্যাদি) দেখা গেছে।

রোববার রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এম আই এস) অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞতিতে জানানো হয়, ঢাকা বিভাগে মোট টিকা নিয়েছেন ৯ হাজার ৩১৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৭ হাজার এবং নারী ২ হাজার ২৯৩ জন। ময়মনসিংহ বিভাগে টিকা নিয়েছেন ১ হাজার ৬৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ৩৭২ জন, নারী ৩২১ জন।  

চট্টগ্রাম বিভাগে টিকা নিয়েছেন মোট ৬ হাজার ৪৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪ হাজার ৯৪৪ জন, নারী ১ হাজার ৪৯৯ জন। রাজশাহী বিভাগে টিকা নিয়েছেন মোট ৩ হাজার ৭৫৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ হাজার ৯ জন, নারী ৮৪৮ জন।  

রংপুর বিভাগে টিকা নিয়েছেন মোট ২ হাজার ৯১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ হাজার ২৭৮ জন, নারী ৬৩৪ জন। খুলনা বিভাগে টিকা নিয়েছেন মোট ৩ হাজার ২৩৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ হাজার ৪৬৩ জন, নারী ৭৭০ জন।  

বরিশাল বিভাগে টিকা নিয়েছেন মোট ১ হাজার ৪১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ১২৩ জন, নারী ২৮৯ জন। সিলেট বিভাগে টিকা নিয়েছেন মোট দুই হাজার ৩৯৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ এক হাজার ৭৪৭ জন, নারী ৬৪১ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুসারে, গত ২৭ জানুয়ারি দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। প্রথম দিনে টিকা দেওয়া হয় ২৬ জনকে।

করোনা ভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রমের দ্বিতীয় দিনে ২৮ জানুয়ারি রাজধানীর পাঁচ হাসপাতালে মোট ৫৪১ ব্যক্তিকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে শনিবার ( ৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভ্যাকসিন বিষয়ক প্রস্তুতি সম্পর্কে জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক খুরশীদ আলম বলেন, রাজধানী ঢাকায় ৫০টি হাসপাতাল ও সারাদেশে ৯৫৫টি হাসপাতালসহ সারাদেশে মোট ১ হাজার ৫টি হাসপাতালে টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

তিনি বলেন, রাজধানী ঢাকাতে ৫০টি হাসপাতালে ২০৪টি টিম কাজ করবে। সারাদেশে ৯৫৫টি হাসপাতালে ২ হাজার ১৯৬টি টিম কাজ করবে। ১ হাজার ৫টি হাসপাতালে মোট ২ হাজার ৪০০টিম কাজ করবে।  

এছাড়াও ভ্যাকসিন বিষয়ক কার্যক্রমের জন্য টিম প্রস্তুত রয়েছে ৭ হাজার ৩৪৪টি। তবে আপাতত ২ হাজার ৪০০ জনকে দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়েছে।