মাত্র এক ঘণ্টায় শেষ ট্রেনের অনলাইন টিকিট

মাত্র এক ঘণ্টায় শেষ ট্রেনের অনলাইন টিকিট
ঈদকে সামনে রেখে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট রেলওয়ে স্টেশনের পাশাপাশি অনলাইনেও বিক্রি করা হচ্ছে। অনলাইনে অর্ধেক এবং ঢাকার পাঁচটি কেন্দ্রে মিলছে বাকি অর্ধেক টিকিট।
তবে অনলাইনে টিকিট কাটতে অনেকেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।
সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে এবং রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট বিক্রি শুরু হয়। তবে ৮টার আগে থেকেই অনলাইনে লগইন করে টিকিট কাটার অপেক্ষা করছেন অনেকেই। অনলাইনে কেউ কেউ টিকিট পেলেও পাচ্ছেন না অনেকেই।
তারা বলছেন, সার্ভার ডাউন ছাড়াও টিকিট বিক্রির আগেই শেষ হয়ে গেছে, আবার সিলেক্ট করতে গিয়ে দেখছেন টিকিট আর হাতে নেই।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মোজাম্মেলন হক তুহিন জানান, ওয়েবসাইট ডাউন থাকার পর যখন খুলল তখন দেখি টিকিট সব শেষ।
এটা কেমনে কি হলো? যেখানে ওয়েবসাইটেই ঢোকা যাচ্ছিলনা সেখানে কিভাবে টিকিট শেষ হয়?
ঈদযাত্রায় টিকিটপ্রত্যাশীরা ফেসবুকে রেলওয়ের ফ্যান পেজেও তাদের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।
সার্ভারে প্রবেশ করতে না পেরে ক্ষোভ জানিয়ে সোয়া ৯টার দিতে আজাদ হোসেন লিখেছেন, সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কাটার ট্রাই করতেছি! ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যায় না! শুধু লেখা আসে ‘ইউ আর ভেরি ভেল্যুয়েবল টু আস’। এক ঘণ্টার চেষ্টায় যখন ওয়েবসাইটে ঢুকতে পারলাম তখন দেখি টিকেট শেষ! ২৭ তারিখের ঢাকা-খুলনার কোনো টিকেট আর নাই!
আজাদের প্রশ্ন, যেখানে ওয়েবসাইটে ঢোকা যায় না সেখানে টিকিট শেষ হয়ে যায় কীভাবে? অনলাইনে একসেস দিল না তাহলে টিকেট গেল কোথায়? এরা দেশের মাটি বিক্রি করে দিক আমরা অন্য কোনো দেশে চলে যাই!
তবে টিকিট কাটতে পেরে কেউ কেউ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সকাল ১০টার দিকে মেহেদী হাসান নামে একজন লিখেছেন, দীর্ঘ এক ঘণ্টা যুদ্ধ করার পর টিকিট কাটতে পেরেছি। মোবাইল দিয়ে যখন লগইন করতে পারছিলাম না তখন ওয়াইফাই দিয়ে ডেক্সটপ দিয়ে ঢুকে দেখি অনেক টিকিট। সঙ্গে সঙ্গে তিনটি কেটে নিলাম। পৌনে ৯টার দিকে সার্ভার ফ্রি হলে ৮টা ৫৭ মিনিটে টিকিট কাটতে পেরেছি। যারা কাটতে পারেন নাই আগামীকাল পৌনে ৯টা থেকে চেষ্টা করতে পারেন।