মার্কিন-ন্যাটো বাহিনীর উপস্থিতিকে ‘না’ বলুন: রাশিয়া

সম্মেলনে আফগানিস্তানের প্রতিবেশীদের একটি সুস্পষ্ট বার্তা দেয় রাশিয়া। মস্কোর বার্তার মূল কথা—আফগানিস্তান থেকে মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনী প্রত্যাহারের পর এখন তারা কোনো অজুহাত দেখিয়ে এ অঞ্চলের কোনো দেশে ঘাঁটি গড়ার চেষ্টা করতে পারে। তারা এমন আবদার করলে আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশগুলো যেন তা নাকচ করে দেয়। তারা যেন মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনীকে কোনোভাবে ঠাঁই না দেয়।

সের্গেই লাভরভ বলেন, ‘মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনীর সামরিক উপস্থিতিকে অনুমোদন না দেওয়ার জন্য আমরা আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানাই।’

মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনী আফগান ভূখণ্ড ছেড়ে যাওয়ার পর এখন আবার এ অঞ্চলে ফিরে আসার পরিকল্পনা করছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

আফগানিস্তান থেকে মধ্য এশিয়ায় সন্ত্রাসী ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি নিয়ে ক্রেমলিন উদ্বিগ্ন। মস্কোর আশঙ্কা, এ বিষয়কে একটা অজুহাত হিসেবে কাজে লাগিয়ে এই অঞ্চলে, বিশেষ করে সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল—এমন এলাকায় পা রাখার কথা ভাবতে পারে পশ্চিমারা।

সের্গেই লাভরভ বলেন, আফগানিস্তান থেকে অভিবাসীদের প্রবাহ রোধ ও নিয়ন্ত্রণ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। অপরাধী ও সন্ত্রাসীরা ইতিমধ্যে শরণার্থীর ছদ্মবেশে আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশগুলোয় ঢোকার চেষ্টা করছে।

তাজিকিস্তানে রাশিয়া তার বৃহত্তম বিদেশি সামরিক ঘাঁটি পরিচালনা করে আসছে। তাজিকিস্তানের সঙ্গে আফগানিস্তানের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর তাজিকিস্তানের সেনা ও সামরিক সরঞ্জামের উপস্থিতি বাড়িয়েছে রাশিয়া।