মায়ামি সৈকতে ভিড় ঠেকাতে কারফিউ

সংগ্রহীত

মায়ামি সৈকতে ভিড় ঠেকাতে কারফিউ

করোনা এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত বছরের তুলনায় কোন অংশেই কম যাচ্ছে না মহামারি পরিস্থিতি। প্রতিদিনই মৃত্যুর মিছিলে যোগ হচ্ছে নতুন সংখ্যা। আক্রান্তও বাড়ছে হু হু করে। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা মহামারি পরিস্থিতিতে অতিষ্ঠ মানুষ। তাইতো মৃত্যু ঝুঁকি জেনেও ঘরে থাকছে না কেউ।

মানুষ যে ঘরে থাকতে চায় না, তেনমই এক চিত্র দেখা গেল ফ্লোরিডার মায়ামি সৈকতে। হাজারো মানুষের উপচে পড়া ভিড়। স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন তোয়াক্কা নেই। প্রশাসন ধারণাই করতে পারেনি এমন পরিস্থিতির সম্মুক্ষিণ হতে হবে তাদের। তাইকো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শেষ পর্যন্ত কারফিউ জারি করতে হয়েছে।

নেই করোনা নিয়ে কোন দুঃশ্চিন্তা। শনিবার সৈকতে হাজির অসংখ্য মানুষ। মাস্ক বা সামাজিক দূরত্ব নিয়ে তো কারও চিন্তাই নেই। পুরোদমে চলছে পার্টি। হৈ হুল্লোড় নাচ গানে একেবারে মাতামাতি অবস্থা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে দেখে মাঠে নামে প্রশাসন। রাস্তা ফাঁকা করাসহ নানা বিধি নিষেধ আরোপ করে তারা। সৈকতের আশপাশের রেস্তরা নির্দিষ্ট সময়ের পর বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়। এছাড়াও মায়ামি সৈকতের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী ৩টি সেতু রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত বন্ধ রা হয়েছে। প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপে দুই ঘণ্টার মধ্যেই পুরো সৈকত ফাঁকা হয়ে যায়।

পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মায়ামি সৈকতে বন্ধুদের নিয়ে সময় কাটাচ্ছিলেন জন পেরেজ নামের ২২ বছরের এক যুবক। এসময় তিনি বলেন আর পারা যায় না। বন্ধুদের নিয়ে কতো মজা করছিলাম।

মায়ামি শহরের কার্যনির্বাহী এক কর্তা রাউল আগুলিয়া বলেন, ‘‘মানুষের নিরাপত্তার কথা ভেবে এই কারফিউ জারি করা। সবাইকে বুঝতে হবে।’’ ভিড় দেখে মনে হচ্ছিল রক-কনসার্ট হবে। এতটুকু রাস্তা দেখা যাচ্ছিল না।