মিয়ানমারে এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে

সংগ্রহীত

মিয়ানমারে এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে

নোবেলজয়ী সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতা গ্রহণ করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এ কারণে দেশটিতে সৃষ্টি হয়েছে অস্থিতিশীলতা।

তাই দেশটিতে এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে। কারণ এই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে মিয়ানমারে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) মিয়ানমারের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ভুয়া সংবাদ ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, যার কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির বর্তমান সেনা সরকার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মিয়ানমারে ফেসবুক পরিষেবা বন্ধ থাকবে। ইন্টারনেট সরবরাহকারী ও টেলিকম কোম্পানিগুলোকে এই সিদ্ধান্ত মোতাবেক ফেসবুক বন্ধ রাখতে হবে। 

এদিকে বুধবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, অং সান সু চির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে যোগাযোগ সরঞ্জাম আমদানি এবং ব্যবহারের অভিযোগে মামলা করে দুই সপ্তাহের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে।

সু চির বিরুদ্ধে অভিযোগ- তিনি আমদানি-রফতানির আইন লঙ্ঘন করেছেন এবং রাজধানী নেইপিদোতে তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে, যা অবৈধভাবে আমদানি এবং অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা হয়েছে।

অন্যদিকে বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস ক্যু’য়ের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণ করা মিয়ানমারের সামরিক প্রশাসনকে ব্যর্থ করে দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে ক্ষমতা গ্রহণে সামরিক ক্যু’য়ের নেতৃত্ব দেওয়া সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ইউএন মহাসচিব বলেন, এটি দেশ শাসনের কোনো উপায় হতে পারে না। নির্বাচনের দোহাই দিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের আটক করে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অবিলম্বে দেশটির রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চিসহ অন্যান্য রাজনীতিবিদদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এ ছাড়া দেশ শাসনের নামে ধরকাপড় এবং গণতন্ত্র চর্চায় বাধা দেওয়া আইনের অবক্ষয় বলেও মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিচ।