মৎস্যখাতে বিস্ময়কর সাফল্য বাংলাদেশের

সংগ্রহীত

মৎস্যখাতে বিস্ময়কর সাফল্য বাংলাদেশের

মৎস্যখাতে বিস্ময়কর সাফল্য বাংলাদেশের। পাঁচ দশকে দেশে মাছের উৎপাদন বেড়েছে ২৫ গুন। রপ্তানী হচ্ছে অন্তত ৫০টি দেশে। আর তাতে জাতীয় অর্থনীতি জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান এখন প্রায় ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে মূলত ইলিশের দ্বিগুণ উৎপাদন বৃদ্ধি। আর মৎস্য মন্ত্রী বলেছেন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দ্বিতীয়খাত হতে চলেছে মৎস্য সম্পদ।                              

উৎপাদন আর রপ্তানীতে তরতর করে এগিয়ে যা্ওয়ার তালিকায় মৎস্য খাত বড় নাম। পুকুর, খাল আর উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ চাষে এখন নীরব বিপ্লব ঘটেছে। দেশে দৈনন্দিন খাদ্যে প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৬০ শতাংশ জোগান দেয়া মৎস্য খাতে ২০১৮-১৯ অর্থবছর উৎপাদন হয় ৪৩ লাখ ৮১ হাজার টন। দেশের রপ্তানি আয়ের ৪ শতাংশের বেশি আসে এই মৎস্য খাত থেকে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিস্ময়কর এই সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে মাছ চাষ যা যোগান দিচ্ছে উৎপাদনের ৫৬ শতাংশ। গত ১০ বছরে দেশী মাছের উৎপাদন বেড়েছে ৪ গুণ। মাঝেমধ্যে সাগর-নদীতে মাছ ধরা বন্ধের সিদ্ধান্তও ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে এখাতে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলেছে, উন্মুক্ত জলাশয় থেকে মাছ আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়। দেশে উৎপাদিত মাছের ৭৫ শতাংশ এখন বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করছেন মৎস্য চাষিরা। মৎস ও পশুসম্পদ মন্ত্রী জানান, মৎস খাত হবে আগামীদিনের দেশের বৈদশিক মুদ্রা অর্জনের দ্বিতীয় খাত।  

মৎস্য খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।