লঞ্চ-বাসের ভাড়া বৃদ্ধিতে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা

লঞ্চ-বাসের ভাড়া বৃদ্ধিতে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে লঞ্চ-বাসের ভাড়া বৃদ্ধি করায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন যাত্রীরা। আয় না বাড়লেও গণপরিবহনে ভাড়া বৃদ্ধি করায় চাপ পড়েছে জনসাধারণের উপর। জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে দিতে জ্বালানী তেলের মূল্য কমানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সরকার রবিবার লঞ্চে ৩৫ ভাগ এবং বাসে ২৭ ভাগ ভাড়া বৃদ্ধি করে। বরিশাল থেকে লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরীরহাট রুটের লঞ্চে আগে যাত্রী ভাড়া ছিলো ২০০ টাকা। নতুন বর্ধিত ভাড়ায় এখন ওই রুটে জনপ্রতি যাত্রী ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০০ টাকা। এভাবে অভ্যন্তরীণ সকল রুটে ভাড়া বেড়েছে ৩৫ ভাগ করে। অপরদিকে, বরিশাল-ঢাকা সহ দূরপাল্লা রুটের লঞ্চেও কেবিন এবং ডেক যাত্রী ভাড়া বেড়েছে। বরিশাল ঢাকা রুটের লঞ্চের ডেকে আগে সরকার নির্ধারিত ভাড়া ছিলো ২৫৫ টাকা। লঞ্চ কর্তৃপক্ষ আদায় করতো ২৫০ টাকা। নতুন হারে জনপ্রতি ডেক যাত্রী ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬২ টাকা। তবে কর্তৃপক্ষ আদায় করছে ৩৫০ টাকা করে। একইভাবে ডবল কেবিন ২১০০ টাকার স্থলে ২৪০০ টাকা এবং সিঙ্গেল কেবিন ১ হাজার টাকার স্থলে আদায় করা হচ্ছে ১৪০০ টাকা। ভিআইপি কেবিনের ভাড়াও ১ হাজার টাকা করে বেড়েছে।

একইভাবে অভ্যন্তরীন এবং দূরপাল্লা রুটের বাসেও ২৭ ভাগ ভাড়া বেড়েছে। আয় না বাড়লেও ২৭ ভাগ ভাড়া বৃদ্ধি অযৌক্তিক বলে দাবি করেছেন বাস যাত্রীরা। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির খেসারত জনগণকে দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। জনজীবনে স্বস্তি দিতে অবিলম্বে তেলের দাম কমানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী লঞ্চ-বাসে বর্ধিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন লঞ্চ ও বাস কর্তৃপক্ষ।

বরিশাল-ভূরঘাটা রুটের বাস কাউন্টার ম্যানেজার সাইদুর রহমান বলেন, আগে কিলোমিটার প্রতি যাত্রী ভাড়া ছিলো ১ টাকা ৪২ পয়সা। নতুন বর্ধিত হারে ১ টাকা ৮০ পয়সা হারে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

বরিশাল-ঢাকা রুটের এক পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার মো. আনিছুর রহমান বলেন, বরিশাল-ঢাকা রুটে নন এসি বাসে ৫০০ টাকার স্থলে ৬৫৫ টাকা এবং এসি বাসে ৮শ’ টাকার স্থলে ১ হাজার টাকা ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।